মেইন ম্যেনু

এবার ‘দুই আনা’ মন্ত্রী নিশাকে ধরেছেন খালেদা: আশরাফ

আমেরিকার দক্ষিণ মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়ালকে ‘দুই আনা’ মন্ত্রী হিসেবে অভিহিত করেছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফ। তিনি বলেছেন, মজিনার পর এবার ‘দুই আনা’ মন্ত্রী নিশা দেশাইয়ের মাধ্যমে ক্ষমতায় বসার চেষ্টা করছেন খালেদা জিয়া।

শনিবার সকালে খুলনা সার্কিট হাউসে মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। সম্মেলন  উদ্বোধন করেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

ভারতের সঙ্গে বর্তমান সরকারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মহমোহন সিংয়ের চেয়ে কঠোর আওয়ামী লীগ-সমর্থক।

সৈয়দ আশরাফ বলেন,  মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজিনা ৫ জানুয়ারির নির্বাচন বানচালের বহু চেষ্টা করেছেন। এখন সেদেশের দুই আনা মন্ত্রী নিশা দেশাইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের ক্ষমতায় বসার চেষ্টা করছেনে খালেদা জিয়া। তার সেই আশা কোনোদিন পূরণ হবে না।

শুক্রবার গুলশানের বাসভবনে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে নিশা দেশাইয়ের বৈঠকের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে আশরাফ বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই আনা, চার আনাও না;— এক মন্ত্রী আছে নিশা দেশাই। ভারতীয় বংশোদ্ভূত, যদিও সে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক। তার সঙ্গে বাংলাদেশের দুই-দুইবারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে টেলিভিশনে দেখে মনে হইছে ২২-২৩ বছরের মেয়ের সামনে খালেদা জিয়া একদম শিশু। হাত পেতে বসে আছেন ক্ষমতাটা যাতে এই মিস দেশাই বেগম খালেদা জিয়ার হাতে তুলে দেবেন।”

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান ডব্লিউ মজীনাকে ‘কাজের মেয়ে মর্জিনা’ অভিহিত করে  সৈয়দ আশরাফ বলেন, “কয় দিন আগে উনি (খালেদা জিয়া) ছিলেন আরেকজনের দিকে তাকিয়ে। মজীনা তো কত চেষ্টা করল নির্বাচনটা বন্ধ করার জন্য, শেখ হাসিনা যাতে প্রধানমন্ত্রী না হতে পারে তার জন্য। এমন কোনো প্রচেষ্টা নাই তিনি করেন নাই। আল্লার ওয়াস্তে সবশেষে চাকরির মেয়াদও শেষ, ক্ষমতাও শেষ। আগামী সপ্তাহে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দেবেন। জীবনে হয়তো আর বাংলাদেশে আসবেন না। বাংলাদেশ কিন্তু ওই অবস্থায় নাই যে কাজের মেয়ে মর্জিনা বাংলাদেশের ক্ষমতার রদবদল করবে।”

ভারতের বিজেপি সরকারের ওপর আস্থা না রাখতে খালেদা জিয়াকে পরামর্শ দিয়ে সৈয়দ আশরাফ বলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর বিএনপির মনে আশার জাগা হইল। মোদির কাছে গিয়া যদি কিছু আদায় করতে পারি। আমি গত সপ্তায় দিল্লি ছিলাম। ভারতের এমন কোনো মন্ত্রী নাই যার সঙ্গে আমার কথা হয় নাই। মোদি তো মনমোহন সিংয়ের চাইতে আরও বেশি কট্টর আওয়ামী লীগের পক্ষে।”

সম্মেলন শেষে খুলনা মহানগর কমিটির বর্তমান সভাপতি তালুকদার আব্দুল খালেককে সভাপতি ও বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেন সৈয়দ আশরাফ। সমঝোতার মাধ্যমে সিলেকশনে তারা পুনরায় নির্বাচিত হন।






মন্তব্য চালু নেই