মেইন ম্যেনু

এই ১০টি বিষয় যদি নজরে আসে, তবে বুঝবেন অপমৃত্যু কড়া নাড়ছে

হিন্দু পুরাণগুলির প্রায় সবক’টিই মৃত্যুকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে বেশ কিছু বিষয়কে ব্যক্ত করে। তার মধ্যে অন্যতম হল অপমৃত্যুলক্ষণ। বিষ্ণু পুরাণ, বা গরুড় পুরাণ স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় বেশ কিছু অপমৃত্যুলক্ষণের। পরিপার্শ্বে মৃত্যু তার করাল ছায়া বিস্তার করেছে কি না, এটা যেমন পুরাণ বিভিন্ন লক্ষণ থেকে জানার কথা বলে, তেমনই নিজের আয়ু তার সীমারেখায় পৌঁছে গিয়েছে কি না, সে বিষয়েও বেশ কিছু লক্ষণকে জানায় বিভিন্ন পুরাণ। বিশেষ করে অপমৃ্ত্যুর ব্যাপারে ১০টি লক্ষণকে প্রত্যক্ষভাবে ব্যক্ত করে একাধিক হিন্দু পুরাণ।
দেখা যাক সেই লক্ষণগুলি।
• কোনও ব্যক্তি যদি ধ্রুবতারা দেখতে না পান, তাহলে জানতে হবে তাঁর আয়ু মাত্র এক বছর।
• যদি সূর্যকে ফ্যাকাশে বা বিকৃত বলে মনে হয়, তাহলে বুঝতে হবে এগারো মাসের মধ্যে দ্রষ্টার মৃত্যু ঘটবে।
• যদি কারোর পায়ের ছাপ বালি বা ধুলোর উপরে অসম্পূর্ণভাবে পড়ে, তা হলে তাঁর আয়ু মাত্র সাত মাস।
• যদি আয়নায় কারোর প্রতিচ্ছবি বিকৃত ভাবে দেখা দেয়, তবে বুঝতে হবে চার থেকে পাঁচ মাসের মধ্যে তাঁর মৃত্যু আসন্ন।
• যদি কেউ বিনা মেঘে বজ্রপাত লক্ষ করেন, তবে ধরে নিতে হবে তিনি আর দুই থেকে তিন মাস বাঁচবেন।
• কেউ যদি নিজের মুণ্ডহীন ছায়া দেখেন, তবে বুঝতে হবে তাঁর আয়ু মাত্র এক মাস।
• যত্রতত্র যদি মৃতদেহের দুর্গন্ধ পান কেউ, তিনি জানবেন, তাঁর আয়ু মাত্র পনেরো দিন।
• স্নানের পরেও যদি পায়ের তলা শুকনো বোধ হয়, তবে বুঝতে হবে আয়ু মাত্র দিন দশেক।
• শুকিয়ে যাওয়া নদীখাতের দৃশ্য স্বপ্নে দেখলেও জানতে হবে আয়ু দশ দিন।
• ছেঁড়া কালো কাপড়ের স্বপ্ন দেখলেও জানতে হবে আয়ু মাত্র দশ দিন।
উপরোক্ত লক্ষণগুলি সম্পর্কে পুরাণ যা-ই বলে থাকুক, প্রকৃতই এই চিহ্নগুলি দেখলে মৃত্যু আসন্ন কি না, তা প্রমাণিত নয়। তবে, সমাজবিদরা অনুমান করেন, পৌরাণিক যুগে এই চিহ্নগুলিকে দুর্লক্ষণ বলে মনে করা হত। এর সঙ্গে জ্যোতিষের যোগ থাকলেও থাকতে পারে। সেই অর্থ বা দ্যোতনাকে আজ আর বোঝা সম্ভব নয়।






মন্তব্য চালু নেই