মেইন ম্যেনু

কক্সবাজারের কিছু খবর :

উখিয়ায় ২৩ মাস ধরে ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন বন্ধ : নির্মাণ অনিশ্চিত

গনপূর্ত অধিদপ্তরের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতা ও ঠিকাদারের খামখেয়ালীপনার কারনে উখিয়ায় নির্মানাধীন ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের নিমার্ণকাজ  গত ২৩ মাস ধরে বন্ধ রয়েছে। উখিয়া-টেকনাফ দু’উপজেলায় একই সাথে শুরু হওয়ায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কার্যক্রম টেকনাফে শুরু হলেও উখিয়ায় নিমার্ণাধীন ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ভবনের নিমার্ণ কাজ অজ্ঞাত কারণ বশত: বন্ধ থাকায় সচেতন মহলের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জনগনের দীর্ঘদিনের প্রতিক্ষীত দাবী ফায়ার ষ্টেশন নির্মান অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে বলে আশংকা করা হচ্ছে।
কক্সবাজার গনপূর্ত অধিদপ্তর সুত্রে জানা যায়, গৃহায়ন ও গনপূর্ত মন্ত্রনালয়ের অর্থায়নে গত২০১১-২০১২ অর্থ সালে ১কোটি ৭৬লক্ষ টাকা ব্যয়ে উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন নির্মান কাজ শুরু করে মাঝপথে নির্মান কাজ বন্ধ করে দিয়ে ঠিকাদার লাপাত্তা হয়ে যায়। বর্তমানে ২৩ মাস ধরে নির্মান কাজ বন্ধ রয়েছে। ঠিকাদার নির্ধারিত সময়ে নির্মান কাজ সম্পন্ন করতে না পারায় গত ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ সালের উখিয়ায় সফরে এসেও  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তা উদ্ভোধন করতে পারেনি। এসময় উখিয়ায় বিভিন্ন উন্নয়নমুলক প্রকল্প উদ্ভোধনের সময় উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ভোধনের কথা ছিল। সচেতন জনগনের অভিযোগ ঠিকাদারের খামখেয়ালী ও গনপূর্ত অধিদপ্তরের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার কারণে নির্ধারিত সময়ে ফায়ার সার্ভিস নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়নি। সুশীল সমাজের প্রশ্ন একই সময়ে দুই উপজেলায় শুরু হওয়া টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন নির্মান কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন হলেও উখিয়ার ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের নির্মান কাজ বন্ধ থাকার বিষয়টি সবাইকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। দায়িত্বরত ঠিকাদারী প্রতিষ্টান মা কনষ্ট্রাকশনের সাথে যোগাযোগ করেও মোবাইল সংযোগ না পাওয়ায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের অতিরিক্ত উপ-পরিচালকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন দুই উপজেলার নির্মাণাধীন ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের মধ্যে টেকনাফ ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের নির্মান কাজ শেষ হয়েছে। ইতিমধ্যে টেকনাফ ষ্টেশনে অগ্নিনির্বাপকের জন্য গাড়িসহ ১২জন জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশন নির্মান কাজ কেন বন্ধ রয়েছে তার জানা নেই। তবে নির্মান কাজ বাস্তবায়নে দায়িত্বপালন করছে গনপূর্ত অধিদপ্তর। এ ব্যাপারে কক্সবাজার গনপূর্ত অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী উখিয়া ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের নির্মান কাজ বন্ধ থাকার কথা সত্যতা স্বীকার করে জানান দুই উপজেলার ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের নির্মান কাজে মন্ত্রনালয় থেকে পাওয়া বরাদ্দকৃত টাকার ধরন ভিন্ন। টেকনাফের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা যথাসময় আসায় উক্ত ফায়ার সার্ভিসের কাজ নির্ধারিত সময় সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু উখিয়ার জন্য বরাদ্দকৃত টাকা মন্ত্রনালয় থেকে না আসার কারনে দায়িত্বরত ঠিকাদার নির্মান কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়।

উখিয়ায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের স্বেচ্ছাচারিতায় পথে পথে ঘুরছে আয়া হাজেরা
১২ বছরের সরকারী এমপিও ভুক্ত অসহায় আয়া হাজেরা খাতুন ও তার পরিবারের স্বামী ছেলে মেয়ের কান্নায় আকাশ ভারী হয়ে উঠছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ হাজেরা খাতুনের বিরুদ্ধে মিথ্যা নানা অভিযোগ এনে চাকুরীচ্যুত করে বেআইনী ভাবে অন্যজনকে ওই পদে নিয়োগ দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দরিদ্র হাজেরা খাতুন স্থানীয় সরকারী দপ্তর ও জনপ্রতিনিধিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে কোন ন্যায় বিচার না পেয়ে অবশেষে কক্সবাজার আদালতে উক্ত মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মামলা করতে বাধ্য হয়েছে। দীর্ঘ এক যুগ সরকারী বেতন ভোগ করার পরও মিথ্যা অজুহাতে মোটা অংকের টাকা নিয়ে অন্যজনকে নিয়োগ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে উখিয়ার শাহ জব্বারিয়া বালিকা মাদ্রাসা সুপার ও ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি।
অভিযোগে জানা যায়, উখিয়া বায়তুশ শরফ জব্বারিয়া বালিকা মাদ্রাসায় আয়া পদে একই এলাকার জাফর আলমের স্ত্রী হাজেরা খাতুন দীর্ঘ ১২ বছর থেকে শান্তিপূর্ণভাবে এমপিও ভুক্ত হয়ে চাকুরী করে আসছে। কিন্তু কিছুদিন পূর্বে উক্ত হাজেরার পদে অন্য মহিলাকে চাকুরী দেওয়ার কু-মানষে মোটা অংকের টাকা নিয়ে হাজেরাকে চাকুরী থেকে মিথ্যা অভিযোগ এনে সাময়িক অব্যাহতি দিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।  প্রায় ১ বছর ধরে উক্ত অসহায় দরিদ্র হাজেরা চাকুরী ফিরে পাওয়ার আশায় এমন কোন লোক নেই যার কাছে সে যায়নি। স্থানীয় ওই মাদ্রাসা কমিটির সদস্য হাফেজ মোজাহের আহমদ, সাবেকুন্নাহার, স্থানীয় ৪নং রাজাপালং ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহকামাল চৌধুরী ও গ্রাম সর্দার শেখ নাছির উদ্দিনসহ একাধিক ব্যক্তিদের সুপারিশক্রমে ও বিশেষ অনুরোধেও এ অভাবী মহিলা হাজেরা খাতুন চাকুরী ফিরে পায়নি।
এছাড়াও কক্সবাজার-৪ এর সাংসদ আব্দুর রহমান বদির এমপির কাছে শরাপন্ন হলে তিনি তাৎক্ষনিক ফোনের মাধ্যমে মাদ্রাসা সুপার ছানাহ উল¬াহর নিকট হাজেরা খাতুনের চাকুরী বহাল রাখার জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু এমপি বদিসহ অপরাপর স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গও মাদ্রাসা সংশি¬ষ্ট কমিটির সদস্যদের নির্দেশকে উপেক্ষা করে সুপার ছানাহ উল¬াহ একই এলাকার জনৈকা নূর জাহান নামের এক মহিলার নিকট থেকে ৬০ হাজার টাকা নিয়ে হাজেরা খাতুনের স্থলে আয়া পদে তাকে নিয়োগ দেয়। এত কিছুর পরও যখন অসহায় হাজেরা তার কর্মস্থলে ফিরে যেতে পারছেনা তখন বাধ্য হয়ে সে কক্সবাজার জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে মামলা করতে বাধ্য হয়েছে বলে হাজেরা জানান।
এব্যাপারে জানতে চাইলে মাদ্রাসা সুপার ছানাহ উল¬াহ সন্তোষজনক জবাব না দিয়ে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এ বিষয়টি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট তদন্তাধীন থাকায় উক্ত শিক্ষা কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলাম মিয়া আয়া হাজেরা খাতুনের অভিযোগের তদন্ত করে শীঘ্রই উপরে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে বলে জানান।

 
উখিয়ার দরিদ্র রিক্সা চালক ৭০ বছর বয়স হলেও আব্দুল বয়স্ক ভাতা থেকে বঞ্চিত

রিক্সা চালিয়ে অভাবের সংসারে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে উখিয়ার মালভিটাপাড়া গ্রামেরUkhiya pic-21.12.14 ৭০ বছরের বৃদ্ধ আব্দুস সালাম। তার প্রশ্ন আর কত বয়স হলে তিনি বয়স্ক ভাতা পাবেন। সরকার অভাবী ও দরিদ্র জনগোষ্টীর কল্যাণে বিধবা, বয়স্ক ও বিভিন্ন প্রকার ভাতা প্রদান করে আসলেও মালভিটা গ্রামের দরিদ্র বয়স্ক রিক্সা চালক আব্দুস সালামের ভাগ্যে কোন সরকারী সুবিধা জুটেনি। গতকাল রোববার বিকালে উখিয়া বাস ষ্টেশন চত্বরে রিক্সা পার্কিং করে স্টারিং ধরে যাত্রীর অপেক্ষায় থাকা বৃদ্ধ আব্দুল সাংবাদিক কাছে পেয়ে তার মনের ভিতর লুকানো কষ্টের কথা জানালেন।  রাজাপালং ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের মালভিটাপাড়া গ্রামে ছোট্ট একটি খড়ের ঘরে স্ত্রী, ২ ছেলে ও ৩ মেয়েসহ ৭ জনের বসবাস। বড় ছেলে মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় পরিবারের ভরণ-পোষন ও ছেলে-মেয়েদের লেখা-পড়া থেকে সব কিছু রিক্সার প্যাডেলের উপর নির্ভরশীল। বিগত ৫০ বছর ধরে রিক্সা চালিয়ে সংসারের ঘানি টেনে দিনে যাহা আয় উপর্যন করে তা দিয়ে খেয়ে না খেয়ে দিন যাপন করছি। কিন্তু এ পর্যন্ত কোন জনপ্রতিনিধি কিংবা সংশি¬ষ্ট দপ্তরের লোকজন তার কোন খোঁজ খবর নেয়নি বলে তার অভিযোগ। স্থানীয় ইউপি সদস্য সরওয়ার কামাল পাশা জানান, ওই বৃদ্ধের খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ছবি আছে

উখিয়ায় কৃষকলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত
দেশের সিংহভাগ কৃষিজীবি মানুষের কৃষি ক্ষেত্রে উন্নয়নের স্বার্থসংরক্ষণে সরকার বদ্ধপরিকর। এ উপলক্ষ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় কৃষকদের মাঝে ১৮ হাজার কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড বরাদ্ধ করেছেন সরকার। সরকারের সরাসরি ভুর্তকি কৃষকদের মধ্যে যেন পৌঁছে যায় এ ব্যবস্থা হাতে নিয়েছেন। কক্সবাজারের উখিয়ায় অনুষ্ঠিত কৃষকলীগের বর্ধিত সভায় নেতৃবৃন্দরা উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।
গত ২০ ডিসেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় উখিয়া শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াছ মিয়া গনপাঠাগার হলে উপজেলা কৃষকলীগের আহবায়ক কাজী আকতার উদ্দিন টুনুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম। অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উখিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির চৌধুরী, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষকলীগের সহ-সভাপতি ও মহেশখালী উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, সেচ ও বিদ্যুৎ সম্পাদক রতন কান্তি, রাজাপালং ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আলম, দীনেশ বড়–য়া, যুবলীগ নেতা সোলতান মাহমুদ চৌধুরী। অন্যান্যদের মধ্যে ৫ ইউনিয়নের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে সাংবাদিক মোসলেহ উদ্দিন, মোঃ ইব্রাহীম, জাবেদ হোছন, কাশেদ নূর, জামাল উদ্দিন, খলিল আহমদ, আব্দুস সালাম, জানে আলম, জয়নাল আবেদীন বাবুল, জালাল উদ্দিনসহ প্রমূখ। ওয়ার্ড পর্যায়ের ছৈয়দ নূর, আব্দুল আলম, কামাল উদ্দিন, আক্তার সিকদার, মোঃ ইসহাক, মোঃ হাছান, এরশাদ উল¬াহ, মোঃ ইসলাম, নূরুল আলম, আয়ুবুল ইসলাম, সাহাব উদ্দিন, লিয়াকত আলী, মোজাফফর মিয়া, আব্দুল মাজেদ, মিজবাহ আজাদ, নিজাম ভুট্টো, কালু শীল, জসিম উদ্দিন বকুল, ছৈয়দ হোছাইন ছৈয়দ, নূর মোহাম্মদ, মোক্তার আহমদ প্রমূখ।






মন্তব্য চালু নেই