মেইন ম্যেনু

“ইত্যাদি” এবার খাগড়াছড়িতে

খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলাসহ তিন পার্বত্য চট্টগ্রামবাসী তাঁকিয়ে আছে বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) দিকে। সারাদেশের ন্যায় খাগড়াছড়িতেও বাসা-বাড়ীতে ভারতীয় চ্যানেল স্টার জলসার চ্যানেলের প্রতি মা-বোনরা ব্যস্ত থাকলেও এবার বিটিভি দেখার অধির আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষার প্রহর গুণছে।

এ আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে শুধুমাত্র বিটিভির দেশপরিক্রমার ধারাবাহিকতা অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ কারনে। যা আগামী ৩০ জানুয়ারি রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচার করা হবে। ‘ইত্যাদি’র দেশপরিক্রমার ধারাবাহিকতায় এবারে পর্ব ধারণ করা হয়েছে পাহাড়ের রানী খ্যাত খাগড়াছড়িতে। গত ১৯ জানুয়ারি জেলা শহরের চেঙ্গি গলফ অ্যান্ড কান্ট্রি ক্লাব মাঠে পাহাড়ের সঙ্গে সাদৃশ্য রেখে দর্শক পর্বের স্যুটিং করা হয়েছে।

চারিদিকে পাহাড় বেষ্ঠিত চোখ জুড়ানো আলোকিত মঞ্চের সামনে হাজার হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে ধারণ করা হয় এ পর্বটি।
জানা গেছে, ‘ইত্যাদি’র এবারের পর্বে রয়েছে কয়েকটি হৃদয়ছোঁয়া প্রতিবেদন। রয়েছে শিক্ষানুরাগের এক জীবন্ত প্রতিক রিকশাচালক মো. জাকের হোসেনের ওপর একটি প্রতিবেদন।

এছাড়াও প্রায় ৩০ বছর ধরে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের বিস্তীর্ণ জায়গা যিনি সবুজ করে তুলেছেন, চিরসবুজ বকুল ফুলের গাছে আর সুরভিত করেছেন, বকুল ফুলের সুগন্ধে, সেই ভূমিহীন দিনমজুর সিদ্দিক গাজীর ওপর রয়েছে একটি মানবিক প্রতিবেদন।
একজন সরকারি কর্মচারী মাগুরার এবিএম নজরুল ইসলামের কর্মনিষ্ঠার ওপর রয়েছে একটি উদ্বুদ্ধকরণ প্রতিবেদন। এছাড়াও রাঙামাটি জেলার সাজেক ভ্যালির ওপর রয়েছে একটি চমৎকার তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন। এ প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার সাজেকের অনেক অজানা রূপ ও কাহিনী।

গর্বিত খাগড়াছড়ির দর্শক : এবারের ইত্যাদি খাগড়াছড়িবাসীকে গর্বিত করে তোলেছে। এবারে ইত্যাদিতে দর্শক পর্বে খাগড়াছড়িকে ঘিরে করা প্রশ্নোত্তরের ৩ জন দর্শক নির্বাচন করা হয়। স্থানীয় ঐতিহ্যবাহী বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসরত ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ঐতিহ্যবাহী ও জনপ্রিয় জুম নৃত্য, বোতল নৃত্য ও বাঁশ নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে দ্বিতীয় পর্বে বিজয়ী নির্বাচন করা হয়।

এছাড়াও এবারের ইত্যাদি’তে মূল গানে জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরের ‘ভালবাসার বাঁধন দিয়ে, মানুষগুলো বাঁধা, নানা জাতিসত্তা যেন, এক মালাতে গাঁথা…’ গানটি নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যরে লীলাভূমি খাগড়াছড়ির বিভিন্ন নান্দনিক স্পট, সাজেক ভ্যালির বিভিন্ন স্পটে এবং মঞ্চে দর্শকদের সামনে ৩ দিন ধরে ধারণ করা হয়।

গানটির সঙ্গে কোরিওগ্রাফি করেছেন স্থানীয় নৃত্যশিল্পীরা। যাতে অংশ নিয়েছেন স্থানীয় নৃত্যশিল্পীরা। চাকমা-ত্রিপুরা-মারমা ও বাংলা ভাষায় গাওয়া একটি দেশের গানের সঙ্গে এ নাচটিতে অংশ নিয়েছেন প্রায় তিন শতাধিক স্থানীয় নৃত্যশিল্পী।
‘ইত্যাদি’ রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। আর স্পন্সর করেছে যথারীতি কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড।






মন্তব্য চালু নেই