মেইন ম্যেনু

আ.লীগ নেতারা মানসিক বিকারগ্রস্ত

আওয়ামী লীগ নেতারা মানসিক বিকারগ্রস্ত বলে মন্তব্য করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ নেতারা বলছে, বিএনপি নেতাদের ল্যাড়ি কুত্তার মতো পিটাবো, ঠ্যাং ভেঙে দেবো। এসব বক্তব্য শুনলে বোঝা যায় তারা কোথা থেকে এসেছে।’

মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ‘দুর্নীতি দুঃশাসন বেকারত্ব ও প্রতিহিংসা মুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে’ বাংলাদেশ লেবার পার্টি ঢাকা মহানগরের কাউন্সিলে তিনি এ কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জনগণের কোনো সংগঠন নয়। এরা জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয় নাই। এদের জনগণের ম্যান্ডেট নেই। আওয়ামী লীগ জবর দখলকারী স্বৈরাচারী সরকার। আওয়ামী লীগের মন্ত্রীরা বলে ২০ দল পারে না। পুলিশ, র‌্যাব, গুণ্ডা দিয়ে অনেক কিছু করা যায়। কিন্তু এগুলোর নৈতিক ভিত্তি নেই। সরকার ১৪৪ ধারা জারি করে সভা সমাবেশ বন্ধ করে দেয়। এটা কোন গণতন্ত্র? এ সরকার পাকিস্তানের হানাদার বাহিনীকেও হার মানিয়েছে।’

জ্বালাও-পোড়াও বন্ধ করে বিএনপিকে জনগণের সমার্থন নিয়ে রাজনীতি করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এমন বক্তব্যের জবাবে তিনি বলেন, ‘জনগণের সমার্থন আছে কি না তা তো প্রমান করতে দিলেন না। নির্বাচন করলেন না। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিল করে দিয়েছেন যাতে করে নিজেরা সিল মেরে সরকার গঠন করা যায়।’

বিএনপির এই মূখপাত্র বলেন, ‘আওয়ামী লীগ জনগণের কাছে ক্ষমা চেয়ে ২১ বছর পর ক্ষমতায় এসেছে। তারপর ২০০৮ সালে জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে মিথ্যা কথা বলে ক্ষমতায় এসে জনগণের উপর নির্যাতন করছে। জনগণের উপর স্টিমরোলার চালিয়ে ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে চাইছে।’

তথ্যমন্ত্রী ইনুকে উদ্দেশ্য করে ফখরুল বলেন, ‘জনগণের অধিকার, সত্য কথা বলার অধিকার বন্ধ করে আওয়ামী লীগের সাথে জোট বেঁধেছেন। গণবাহিনী তৈরি করে মানুষ মেরেছেন। তার জন্য ক্ষমা চাননি। এসব হত্যার জবাব দিতে হবে। এখন শুধু মিথ্যা কথা আর মিথ্যা ইতিহাস বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করছেন। এর জবাব একদিন জনগণের কাছে দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ দেশটাকে পৈত্রিক সম্পত্তি পেয়েছে। শুধু দেশকে ভোগ ও শাসন করবে, এটাই তাদের মানসিকতা। তাদের এই মানসিকতার জন্য অতীতেও এদেশের মানুষ বিদ্রোহ ও আন্দোলন করে তাদের ক্ষমতাচ্যুত করেছে, এবারও করবে।’

ঢাকা মহানগেরর লেবার পার্টির আহ্বায়ক মো. শামসুদ্দিন পারভেজের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন লেবার পার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদী, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফারুক রহমান, ভাইস-চেয়ারস্যান মোসলেম উদ্দিন, যুগ্ম-মহাসচিব নূরুল ইসলাম সিয়াম প্রমুখ। কাউন্সিলের উদ্বোধন করেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান।






মন্তব্য চালু নেই