মেইন ম্যেনু

আশকোনার সেই বাড়িতে মিলেছে ১৩টি তাজা গ্রেনেড

রাজধানীর দক্ষিণখান থানাধীন আশকোনার ‘সূর্য ভিলা’ নামের জঙ্গি আস্তানায় ১৩টি তাজা গ্রেনেড পেয়েছে বোম্ব ডিসপোজাল (বোমা নিষ্ক্রিয়করণ) ইউনিট। এছাড়া ঘরের মেঝেতে এক কিশোরের লাশ ও অস্ত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে। তবে পুলিশ এখনও একটি ঘরে ঢুকতে পারেনি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের ডিসি প্রলয় কুমার জোয়ার্দার।

বিকেল পৌনে পাঁচটায় পাওয়া শেষ খবর অনুযায়ী, বেলা ২টা ৪৮ মিনিট থেকে ৩টা ৫৮ পর্যন্ত সুসাইডাল ভেস্টের ১০টি গ্রেনেড নিস্ক্রিয় করেছে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। একটি ভেস্টে ৬ ও অন্যটিতে ৪টি গ্রেনেড ছিল বলে জানিয়েছেন বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের প্রধান এডিসি ছানোয়ার হোসেন।

শ্বাসরুদ্ধকর ১৬ ঘণ্টার জঙ্গিবিরোধী এ অভিযান শনিবার শেষ হলেও ওই বাড়িতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য তাজা গ্রেনেড, বোমা, অস্ত্র ও রাসায়নিক পদার্থ নিষ্ক্রিয় করার জন্য রোববার সকাল ১১টার দিকে ঘটনাস্থলে আসে বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট। সকাল সোয়া ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসকর্মী, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিআইডির ক্রাইমসিন বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে। তবে ঘরের ভেরত প্রচণ্ড গ্যাস থাকায় তারা বাধাগ্রস্ত হন। পরে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা দুটি স্মোকিং ইজেকটর নিয়ে ঘরের ভেতরের গ্যাস বের করার কাজ শুরু করে। এতে ঘরের ভেতর এক প্রান্ত দিয়ে ভালো বাতাস ঢোকানো এবং অন্য প্রান্ত দিয়ে দূষিত বাতাস বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটের প্রধান এডিসি সানোয়ার হোসেন জানান, সুইসাইডাল ভেস্ট যদি কোনো কারণে বিস্ফোরিত হলে এ বিল্ডিং ধসে যেতে পারে। এজন্য সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে এগুলো সরানোর চেষ্টা করা হয়। এছাড়া ভেতরে ছোটখাটো আরো অনেক অস্ত্র দেখা গেছে।

এর আগে শুক্রবার রাত ১২টা থেকে দক্ষিণখানের ওই বাড়িতে অভিযান চালায় কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের সদস্যরা। ‘রিপল ২৪’ নামে এ অভিযান শেষ হয় শনিবার বিকেল ৪টায়। এতে এক নারী জঙ্গি ও কিশোর নিহত হয়েছেন। এছাড়া আত্মসমর্পণ করেন দুই নারী জঙ্গি ও দুই শিশু।






মন্তব্য চালু নেই