মেইন ম্যেনু

ময়নাতদন্ত রিপোর্ট

আত্মহত্যাই করেছেন সুমি

যশোরের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতা খান টিপু সুলতানের পুত্রবধূ ডা. শামারুখ মাহজাবিন সুমি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ফরেনসিক ব্ভিাগ।

ময়নাতদন্ত শেষে রোববার বিকাল সোয়া তিনটায় ঢামেক হাসপাতালে এক সংবাদ সম্মেলনে ডা. সোহেল মাহমুদ এ তথ্য জানান।

সুমির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করেন ফরেনসিক বিভাগের প্রধান হাবিবুজ্জামান চৌধুরী। তার সহযোগী ছিলেন ডা. সোহেল মাহমুদ।

সংবাদ সম্মেলনে ডা. সোহেল মাহবুব বলেন, ‘ময়নাতদন্তে পাওয়া গেছে, ডা. শামারুখ মাহজাবিন সুমি আত্মহত্যা করেছেন।’

সুমির বাম হাতের কাটা দাগ সম্পর্কে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘সুমি নিজেই নিজের হাত কেটেছেন।’

সাবেক সংসদ সদস্য খান টিপু সুলতান ও ডা. জেসমিন আরা দম্পতির ছেলে হুমায়ুন সুলতান সাদাফের স্ত্রী শামারুখ মাহজাবিন সুমি। গত ১৩ নভেম্বর রাজধানীর ধানমণ্ডির ৬নং রোডের ১৪ নম্বর বাসা থেকে তার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই টিপু সুলতান, জেমসিন আরা ও হুমায়ুন সুলতানকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলা দায়েরের পরই গ্রেপ্তার করা হয় সাদাফকে। খান টিপু সুলতান ও তার স্ত্রী ডা. জেসমিন আরা বেগম পালিয়ে যান। পরে তারা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামনি পান।

সুমি যশোর শহরের পুরাতন কসবা এলাকার প্রকৌশলী নুরুল ইসলামের মেয়ে। তিনি রাজধানীর হলি ফ্যামিলি মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর যশোরের সাবেক এমপি খান টিপু সুলতানের ছেলে হুমায়ুন সুলতান সাদাফের সঙ্গে শামারুখ মেহজাবিন সুমির বিয়ে হয়। বিয়ের পর তার ওপর নির্যাতন করা হতো বলে পরবিারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।






মন্তব্য চালু নেই