মেইন ম্যেনু

অপকীর্তি ঢাকতেই গণমাধ্যম বন্ধ করছে সরকার : ব্যারিস্টার রফিকুল

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, ‘স্বৈরশাসকরা তাদের অপকীর্তি ঢাকতে প্রথমেই গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করে। ঠিক তেমনি বর্তমান সরকার একই পন্থা অবলম্বন করে একের পর এক গণমাধ্যম বন্ধ করে দিচ্ছে।’

মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘বাংলাদেশ মফস্বল মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরাম’ আয়োজিত ‘গণমাধ্যমই স্বৈরাচারের প্রথম শিকার’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হরণ না করলে দেশের সম্পদ লুট, অপহরণ, গুম-হত্যা ও সংবিধানকে পদদলিত করা যায় না। ১৯৭৫ সালের ১৬ জুন যেমন মওলানা ভাসানীর ‘হক কথা’ সহ সব পত্রিকা বন্ধ করে দিয়েছিল একই ভাবে তাদের উত্তরসুরীরা আমার দেশসহ দিগন্ত টিভি, ইসলামিক টিভি, চ্যানেল ওয়ান, সিএসবি বন্ধ করে দিয়েছে।’

বিচারকদের উদ্দেশ্য তিনি বলেন, ‘নিজেদের বিবেকের কাছে জবাবদিহি করুন তবেই শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।’

তিনি বলেন, ‘কয়েকটি লোক দেশের জাতীয় সম্পদ গ্রাস করছে। আর সমস্ত জাতি নিজেদের অধিকার থেকে বঞ্চিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।’

তিনি বলেন,‘ ব্যক্তি শাসন করতে হলে গণ মাধ্যামকে নিয়ন্ত্রণ করা ছাড়া কোনো উপায় নেই। তাই তথ্য গোপন করার জন্য সাগর-রুনিকে হত্যা করা হয়।’

দেশ এখন ভয়াবহ অবস্থার মধ্যে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ পরিস্থিতি থেকে দেশকে রক্ষা করতে হলে জেল-জুলুমের ভয় পাওয়া চলবে না।’

এ সময় তিনি খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জনগণের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সবাইকে একত্রিত হয়ে আন্দোলনে নামার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী প্রশ্ন রেখে বলেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে র‌্যাব তাদের পেশাদারিত্বের বাইরে গিয়ে মানুষ হত্য করে। এ সরকারের কাছে কি আশা করা যেতে পারে? যে দেশের সরকার নির্বাচনকেই হাইজ্যাক করে, তার কাছে কি আশা করা যেতে পারে?’

বাংলাদেশ মফস্বল মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি সাখাওয়াত ইবনে মঈন চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও কালো দিবস উদ্‌যাপন কমিটির আহ্বায়ক মো. জাকির হোসেনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরউল্লাহ চৌধুরী, বিএফইউজের মহাসচিব এমএ আজিজ, সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মো. রহমতুল্লাহ প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই