মেইন ম্যেনু

অন্যদের চোখে আপনার চেহারা কতটা সুন্দর, তা বলে দেবে এক আঙুলের এই পরীক্ষা

নিজের চেহারা সম্পর্কে আপনার ধারণা যেমনই হোক না কেন, অন্যদের চোখে আপনি ঠিক কেমন, তা বুঝে ওঠা কঠিন। কেউ আপনাকে সুদর্শন বলে প্রশংসা করলেও, তা কতটা সৎ প্রশংসা, তা বোঝা সহজ নয়। সেই জায়গায় ‘বিউটি অ্যান্ড আগলিনেস আইডেন্টিফিকেশন মেথড’ নামে প্রচলিত এক আঙুলের একটি সহজ পরীক্ষা এই বিষয়ে আপনার দ্বিধা দূর করার সহজ উপায় বলেই মনে করছেন রূপ বিশেষজ্ঞরা।

কী এই পরীক্ষা? বছর কয়েক আগে চিনা সোশ্যাল মিডিয়া ‘উইবো’-তে জনপ্রিয় হয় পরীক্ষাটি। বহু নামজাদা চিনা সেলিব্রিটি ‘উইবো’-তে নিজেদের ‘আঙুল পরীক্ষা’র ছবি আপলোড করতে শুরু করেন। দেখা যায়, কেউ এই পরীক্ষায় ‘পাশ’ করছেন, তো কেউ ‘ফেল’। অর্থাৎ পরীক্ষা অনুযায়ী, কারোর মুখমণ্ডল সুন্দর বলে চিহ্নিত হচ্ছে, কারো হচ্ছে না। আস্তে আস্তে পৃথিবীর অন্যান্য অংশেও এই পরীক্ষা

১. প্রথমে নিজের ডান হাতের তর্জনী লম্বালম্বি সোজা করে ধরুন।
২. তার পর আঙুলের ডগাটিকে ছোঁয়ান নিজের থুতনিতে।
৩. এ বার আঙুলের অন্য প্রান্তটি ঠেকান নাকের ডগায়।
৪. এ বার খেয়াল করুন, আপনার ঠোঁটজোড়া আপনার আঙুলকে স্পর্শ করছে কি না। যদি ঠোঁট আঙুলকে ছুয়ে যায়, তা হলে আপনি সুন্দর দেখতে, যদি তা নয়, তা হলে আপনি ততটাও সুন্দর নন।

এই পরীক্ষার কি বৈজ্ঞানিক ভিত্তি রয়েছে কোনও? অর্থাৎ সত্যিই কি এই পরীক্ষা নিশ্চিত ভাবে বলে দিতে পারে, কে সুন্দর, আর কে সুন্দর নন। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তথা কস্মেটিক সার্জেন ডাক্তার মার্ক হোমস বলছেন, ‘সৌন্দর্যের ধারণা একান্তই ব্যক্তিরুচি নির্ভর। আমি যাঁকে সুন্দর মনে করছি, আর এক জনের চোখে তিনি সুন্দর না-ও হতে পারেন। তবে কসমেটিক ডাক্তারি শাস্ত্রে মুখের ডান ও বাম পাশের সাম্য, কিংবা লম্বালম্বি অথবা পাশাপাশি মুখের দৈর্ঘ্যকে সৌন্দর্যের মাপকাঠি বলে মনে করা হয়। এই পরীক্ষা সেই সমস্ত মাপের একটা নির্ধারক হিসেবে কাজ করতে পারে। সেই হিসেবে বলা যায়, এক আঙুলের এই পরীক্ষা একটা নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত নির্ভরযোগ্য। ডাক্তারি শাস্ত্রেও সমজাতীয় পরীক্ষার প্রচলন রয়েছে। তার নাম রিকেটস ই-লাইন টেস্ট।’

তবে এই পরীক্ষায় ‘ফেল’ করলেই মুষড়ে পড়ার কিছু নেই বলেই জানাচ্ছেন ডাক্তার হোমস। ‘এই পরীক্ষা কোনও মানুষের সৌন্দর্য সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না। কাজেই এই পরীক্ষায় পাশ করলেই নিজেকে প্রচন্ড সুদর্শন ভেবে বসার যেমন কোনও কারণ নেই, তেমনই ফেল করলেও হতাশায় ভোগার কোনও কারণ দেখছি না;’ বলছেন ডাক্তার হোমস।






মন্তব্য চালু নেই