মেইন ম্যেনু

অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হেনেছে হুদহুদ, নিহত ২

অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় হুদহুদ। এই ঘূর্ণিঝড়ে রাজ্যের বিশাখাপাট্টাম ও শ্রীকাকুলাম জেলায় দু জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়া সংক্ষেপে পিটিআই।
রোববার স্থানীয় স্থানীয় সময় বেলা ১১টার দিকে বন্দর নগরী বিশাখাপত্তমের কৈলাসগিরিতে ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার বেগে আঘাত হানে হুদহুদের লেজটি।। এর প্রভাবে বিশাখাপাট্টামসহ বিভিন্ন অংশে প্রচুর বৃষ্টিপাত এবং ঝড়ো হাওয়া প্রবাহিত হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো। এই ঘূর্ণিঝড়ে বিশাখাপাট্টম ও শ্রীকাকুলাম জেলায় ২ জন মারা গেছে বলে জানিয়েছে পিটিআই। এদের একজন ঘরের দেয়াল ধসে এবং অন্যজন ভেঙে পড়া গাছের ডালের নিচে পড়ে মারা যান।
ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানার আগেই ব্যাপক সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করায় হতাহত এবং ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। উড়িষ্যা ও অন্ধ্রপ্রদেশের ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় এলাকাগুলো থেকে প্রায় চার লাখ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেয়া হয়েছে বলে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীকাকুলাম, ভিজিয়ানগরাম, বিশাখাপাট্টাম, পূর্ব গোদাবরি এবং পশ্চিম গোদাবরি জেলাগুলোতে খোলা হয়েছে ৩৭০টি ত্রাণ শিবির। এসব জেলার ৩৯৬টি গ্রাম হুদহুদে আক্রান্ত হবে বলে আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছিল।
ঘূর্ণিঝড়ের আঘাতে রাজ্যের উপকূলীয় তিনটি জেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছন্ন হয়ে পড়েছে এবং বহু গাছপালা ভেঙে পড়েছে বলে জানা গেছে। ঘূর্ণিঝড়টি ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থায়ও ব্যাপক প্রভাব ফেলেছে।
এদিকে ভারতের আবহাওয়া দপ্তর বলছে, স্থলভাগে আঘাত হানার পর আরো ছয় ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চালাতে পারে হুদহুদ।পরবর্তী ছয় ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড়টি ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে আসতে পারে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ছত্তিশগড় ও উড়িষ্যার উত্তরাঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। দক্ষিণ ছত্তিশগড়, তেলেঙ্গানা ও দক্ষিণ উড়িষ্যায়ও ভারি বৃষ্টি হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
ভারতীয় সেনবাহিনী ও নৌবাহিনীর কয়েকটি দলকে উদ্ধার ও ত্রাণ কাজ চালানোর জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। ভারতীয় কোস্ট গার্ডের ১৭টি জাহাজ, নয়টি বিমান এবং ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের ৪৪টি দলের ২ হাজার উদ্ধারকর্মীকে উপদ্রুত অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ে হতাহতের ঘটনা এড়াতে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলোর সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।






মন্তব্য চালু নেই