মেইন ম্যেনু

অন্তর্বাস খুলে কিশোরীকে পিটুনির ঘটনায় তোলপাড়!

যুক্তরাষ্ট্রে কিশোরীর অন্তর্বাস টেনে খুলে ব্যামাগারের প্রশিক্ষকের পিটুনি দেয়ার ঘটনায় তুমুল সমালোচনার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল নেটওয়ার্কে। সম্প্রতি ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে ঘটে এ ঘটনাটি।

অন্তর্বাস ও সুইমিং প্যান্ট পরা চৌদ্দ বছর বয়সের এক কিশোরী লজ্জা বাঁচাতে চিৎকার করে কাঁদছে। হাতে-পায়ে ধরছে জিম ট্রেইনারের। জিমের প্রশিক্ষক মধ্যবয়সী এক পুরুষ। মেয়েটির চুলের মুঠি ধরে হিঁচড়ে নিয়ে আসছে। অন্তর্বাসটি টেনে খুলে দেয়ার চেষ্টা করছেন। সুইমিং পুলের আশপাশের লোকেরা তাকিয়ে উপভোগ করছেন সেই দৃশ্য। এই ভিডিওটি আলোড়ন ফেলে দিয়েছে মার্কিন মুলুকে। ঘটনার পরের দিন থেকেই লম্বা ছুটি নিয়েছেন জিমের প্রশিক্ষক।

অনেকক্ষণ সাঁতার কাটার পর পানি মুছে চুল বেঁধে ফেলছিল কিশোরী মেয়েটি। আকুতি ছিল, সে চুল বেঁধে ফেলেছে। তাই আর সাঁতার কাটতে তার ইচ্ছে করছে না। তাহলে চুল নষ্ট হয়ে যাবে। কে কার কথা শোনে! ক্যালিফোর্নিয়ার এডিসন হাইস্কুলের জিমের বদমেজাজি প্রশিক্ষক ডেনি পিটারসন ছোট্ট মেয়েটিকে প্রথমে এক দুই বার নির্দেশ দেন, পানিতে নামার। মেয়েটি স্যারের এই নির্দেশ মানেনি। কিন্তু পরিণাম যে এত নৃশংস হতে চলেছে, বুঝতে পারেনি। ঘর থেকে টেনে মেয়েটিকে বের করেন জিমের প্রশিক্ষক। তারপর মেয়েটির শখের বাঁধা চুলের মুঠি ধরে বেদম মারতে মারতে টেনে আনেন সুইমিংপুলের ধারে। টেনে খুলে দেন মেয়েটির পোশাক। অন্তর্বাস পরে কোনো রকমে লজ্জা ঢাকার চেষ্টা করতে থাকে মেয়েটি। কিন্তু জিমের প্রশিক্ষক সেই অবস্থাতেই বেদম লাথি মারতে শুরু করে ও অন্তর্বাসটিও খুলে দেয়ার চেষ্টা করতে থাকে। আশপাশের অন্যান্য ছেলেমেয়ে ও তাদের অভিভাবকদের হাসি তখন ধরছে না! সেই অত্যাচারের ফলে সারা গায়ে কালসিটে ও পায়ে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে কিশোরী মেয়েটির।

সম্প্রতি ওই ঘটনার ভিডিওটি হাতে পেয়েছেন নির্যাতিত কিশোরীর মা-বাবা। ভিডিওটিতে অত্যাচারের নৃশংসতা দেখে কিশোরীর মা গিলবার্ট সোমেরার বক্তব্য, এভাবে একটা স্কুলে পড়া বাচ্চা মেয়েকে কোনো শিক্ষক অত্যাচার করতে পারেন, তিনি ভাবতে পারছেন না। জিম প্রশিক্ষক পিটারসনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানিয়েছেন তারা। আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে ক্যালিফোর্নিয়া প্রশাসন। যদিও সেই ঘটনার দিন থেকেই লম্বা ছুটিতে চলে যান পিটারসন।






মন্তব্য চালু নেই