হিলারির ই-মেইল তল্লাশির পরোয়ানা দেখতে চান আদালত

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র ১১ দিন আগে নতুন করে পাওয়া হিলারি ক্লিনটনের ই-মেইলে তল্লাশি চালানোর পরোয়ানা দেখতে চেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালত।

এফবিআইয়ের পরিচালক জেমস কোমি নির্বাচনের কয়েক দিন আগে নতুন করে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিলারির ই-মেইল ইস্যুতে তদন্ত করার বিষয়ে কংগ্রেসে চিঠি দেন। সুনির্দিষ্ট কী কারণে তিনি তল্লাশি পরোয়ানার আবেদন করেন এবং আবেদনে কী লেখা ছিল, তা জানতে চেয়ে নথিপত্র জমা দিতে আদেশ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের একজন জেলা জজ।

ম্যানহাটানের জেলা জজ কেভিন ক্যাসেল মঙ্গলবার তার আদেশে বলেছেন, বৃহস্পতিবারের মধ্যে তল্লাশি পরোয়ানার আবেদন আদালতে হাজির করতে। জেমস কোমি কংগ্রেসে চিঠি দেওয়ার কিছু সময় তল্লাশি পরোয়ানা পান তদন্তকারীরা। ২৮ অক্টোবর কোমি ঘোষণা দেন, হিলারির ব্যবহৃত নতুন কিছু ই-মেইল পাওয়া গেছে, যা তদন্তযোগ্য।

লস অ্যাঞ্জেলেস-ভিত্তিক আইনজীবী র‌্যানডল শোয়েনবার্গ তল্লাশি পরোয়ানা প্রকাশের আর্জি নিয়ে মামলার করার পর জেলা জজ ক্যাসেল মঙ্গলবার সরকারি কৌঁসুলিদের প্রতি ওই আদেশ দেন।

শোয়েনবার্গ দাবি করেছেন, তল্লাশি পরোয়ানার উপাদান ৮ নভেম্বরের নির্বাচনের ফলাফলে মারাত্মক প্রভাব ফেলেছে। ফলে এর প্রতি ‘জনগণের আগ্রহ’ তুঙ্গে। মানুষ তা দেখতে চায়।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প জয়ী হয়েছেন, যেখানে আগাম জরিপে বলা হচ্ছিল, হিলারির জয়ের সম্ভাবনা ৯০ শতাংশ। নির্বাচনের পর হিলারি তার তহবিলদাতাদের বলেন, এফবিআইয়ের ই-মেইল ইস্যুতে তিনি হেরেছেন। নির্বাচনের দুই দিন আগে এফবিআই তাকে নির্দোষ ঘোষণা করলেও ক্ষতি যা হওয়ার তা আগেই হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র : রয়টার্স অনলাইন।



মন্তব্য চালু নেই