সাতক্ষীরায় বর্তমান এমপির বিরুদ্ধে সাবেক এমপির সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরা-৫ (শ্যামনগর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শ্যামনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা এ.কে ফজলুল হককে রাস্তাঘটে অপমান করা হবে বলে হুমকি দিয়েছেন, ওই আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য (শ্যমনগর-কালিগঞ্জের আংশিক) এস এম জগলুল হয়দার। রোববার বেলা ১২টায় সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে আহুত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ অভিযোগ করেন। একই সাথে এ ঘটনায় তিনি শ্যমনগর থানায় লিখিতভাবে সাধারণ ডায়েরীভুক্তির আবেদন করলেও এক সপ্তাহে সেটি এন্ট্রি করা হয়নি। লিখিত সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক সাবেক এ প্রদেশিক পরিষদের সদস্য আরও অভিযোগ করে বলেন, ১৯৭২ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত শ্যমনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। অনেক জেল জুলুম অত্যাচার সহ্য করেও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ থেকে বিচ্যুতি হননি। অথচ এরশাদের শাসনামলে জাতীয় পার্টিতে থাকা এস. এম জগলুল হায়দার তার হাত ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এসে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিনা ভোটে এমপি নির্বাচিত হন। এরপর থেকে থেকে তিনি গণবিমুখ কর্মকান্ডে নিজেকে জড়িয়ে আওয়ামী লীগকে ক্ষতিগ্রস্ত করছেন। তাকে এসব বিষয় থেকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেয়ায় নাখোশ হয়ে গত ১০ এপ্রিল তার ছেলে আওয়ামী লীগ নেতা আতাউল হক দোলনের ফোনের মাধ্যমে তাকে (এ.কে ফজলুল হক) রাস্তাঘাটে অপমান করার হুমকি দেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি গত ২০ এপ্রিল সাতক্ষীরা পুলিশ সুপারকে অবহিত করেন এবং একই সাথে শ্যামনগর থানায় একটি লিখিতভাবে ডায়েরীভুক্তির আবেদন জানান। কিন্তু অদ্যবধি পুলিশ বিষয়টি ডায়েরী ভুক্তি করেননি। তিনি পুলিশের এমন আচরনে ক্ষুব্ধ বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন। শ্যমনগর থানার অফিসার ইনচার্জ ছগির মিঞা সাবেক এমপি এ.কে ফজলুল হক সাহেবের সাধারণ ডায়েরীটি রিসিভ করেছেন উল্লেখ করে বলেন, বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। পাশাপাশি তার নিরাপত্তার বিষয়টিও দেখা হবে বলে জানান ওসি। এ বিষয়ে (শ্যমনগর-কালিগঞ্জের আংশিক) সংসদ সদস্য এস এম জগলুল হয়দার তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এ.কে ফজলুল হক সাহেব আওয়ামী লীগের বহিস্কৃত নেতা অ্যাড. আবু বক্কর সিদ্দীককে সাথে নিয়ে আমার এমপি শিফট নষ্ট করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র করছেন। তার ছেলের ফোনে কোনো হুকমি দেননি বলে দাবী করেন।



মন্তব্য চালু নেই