ফোর-জি সেবায় বাড়বে স্মার্টফোনের বাজার

দ্রুতগতির ইন্টারনেট সেবার আধুনিক সংস্করণ লংটার্ম এভুলেশন (এলটিই) বা ফোর-জি সেবা চালু করলে স্মার্টফোনের বাজার বাড়বে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ ইন্টারনেট প্রোভাইডার কোম্পানি (ওলো)। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইগোর গ্রেকোভিচ সম্প্রতি ঢাকায় মোবাইল ফোন অপারেটরদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, যদিও আমরা প্রথম এলটিই অপারেটর তবে এখন দুটি মোবাইল ফোন অপারেটর এলটিইর সফল পরীক্ষা করেছে। অপারেটরগুলো তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করলে এলটিই বাজারের সম্ভাবনা বাড়বে।

বাংলাদেশের টেলিযোগ বাজারে লং টার্ম এভুলেশন (এলটিই) বা চতুর্থ প্রজন্মের (ফোর-জি) মোবাইল সেবা গ্রহণে গ্রাহকের স্বাধীনতা থাকা উচিত এবং সে জন্য ডাটা রোমিং সুবিধা চেয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির কাছে আবেদন করেছে ওলো।

ইগোর গ্রেকোভিচ বলেন, বিটিআরসির কাছে ডাটা রোমিং সুবিধার জন্য ইতিমধ্যে আবেদন করা হয়েছে। বিটিআরসির নিয়ম অনুযায়ী আবেদনে সাড়া দেয়ার কথা। অনুমতি পেলে ওলোর নেটওয়ার্কে মোবাইল ফোন অপারেটরদের গ্রাহকরাও যুক্ত হতে পারবেন। তবে এজন্য গ্রাহকদের অপেক্ষা করতে হবে মোবাইল নম্বর পোর্টিবিলিটি (এমএনপি) চালু হওয়া পর্যন্ত।

ওলো ২০১৩ সালে ২১ নভেম্বর ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাকসেস (বিডব্লিউএ) লাইসেন্স গ্রহণের পর ২০১৫ সালে ১৫০ এমবিপিএস ইন্টারনেট সেবা গ্রাহকদের প্রদান শুরু করে।দেশের বাজারে এর আগে এলটিই সেবার এমন গতি কেউ দিতে পারেনি।

ইগোর গ্রেকোভিচের মতে, ওলোর পক্ষেই একমাত্র উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা দেয়া সম্ভব। যেহেতু আমাদের ব্যবসা ইন্টারনেটের। তাই আমাদের লক্ষ্য একদিকেই স্থির।

মোবাইল ফোন অপারেটর রবি আজিয়াটা লিমিটেড ও বাংলালিংকের এলটিই বাজারে প্রবেশের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়ে ইগোর গ্রেকোভিচ বলেন, যদিও অপারেটর দুটির স্পিড আমাদের চেয়ে কম হবে, তবুও ডিভাইসের বাজার বৃদ্ধি এবং সেবাটির জনপ্রিয়তা তৈরিতে প্রতিযোগী অপারেটররা ভালো ভূমিকা রাখতে পারবে।



মন্তব্য চালু নেই