পুরুষের বন্ধ্যত্ব, কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন!

একটা সময় ভাবা হতো, বন্ধ্যত্বের জন্য কেবল নারীরাই দায়ী। তবে বিজ্ঞান আমাদের জানিয়েছে, বন্ধ্যত্বের জন্য কেবল নারী নয়, পুরুষও দায়ী। পুরুষেরও এ সমস্যা হতে পারে। সম্প্রতি এক গবেষণায় জানা যায়, প্রতি আটজনের মধ্যে একজন পুরুষ প্রজনন সমস্যায় ভুগে থাকেন। তবে এর মানে এই নয় যে এর চিকিৎসা নেই। এ সমস্যাকে কোনোভাবেই অস্বীকার, অবহেলা বা সংকোচ না করে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন।

কোন সময়ে চিকিৎসকের কাছে যাওয়া প্রয়োজন—এ বিষয়ে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে প্রকাশিত হয়েছে একটি প্রতিবেদন।

১. যদি মনে হয়, সঙ্গীর সঙ্গে সহবাস করতে গিয়ে শারীরিক সমস্যা হচ্ছে বা পারছেন না, তখন বিষয়টি এড়িয়ে না গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

২. জীবনযাপনের কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের কারণে ভ্রূণের সংখ্যা কম হয়ে যায়। এ কারণেও অনেক সময় পুরুষের বন্ধ্যত্ব হয়। এসব সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৩. অনেক উদ্যোগ নেওয়ার পরও আপনার স্ত্রীর গর্ভধারণে অসুবিধা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৪. অনেক সময় মানসিক চাপের কারণে পুরুষদের প্রজনন স্বাস্থ্যে সমস্যা হতে পারে। এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

৫. কখনো কখনো বিভিন্ন ইনফেকশনের কারণেও প্রজননে সমস্যা হয়। যদি দুই বছর চেষ্টার পরও সন্তান ধারণে অসুবিধা হয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।



মন্তব্য চালু নেই