পাথরের পেছনেই কাপড় বদলাতে হয়েছে : কঙ্গনা

প্রতিকূল পরিবেশে অনেক সময়ই ঝুঁকি নিয়ে বা স্বস্তির বাইরে গিয়ে কাজ করতে হয় তারকাদের। সেগুলো নিয়ে সময়ে-অসময়ে মজা করে গল্পও করেন তারা। তবে অনেক সময় পরিস্থিতি এমনই হয়, সেই ভোগান্তির গল্প বলতে গেলেও আরেক অস্বস্তি, কিংবা অভিজ্ঞতাগুলো আর মনেই রাখতে চান না অনেকে। তবে এসব বিষয় আর যেই হোন না কেন, একটুও পরোয়া করেন না কঙ্গনা রানাউত!

বিশাল ভরদ্বাজের ‘রেঙ্গুন’ ছবির শুটিংয়ের জন্য অরুণাচল প্রদেশে শুটিং করতে গিয়েছিলেন কঙ্গনা ও ছবির কলাকুশলীরা। পরিস্থিতি সেখানে খুবই প্রতিকূল ছিল। সব সময়ে যেভাবে তারকারা সুবিধা পান, সেসব দূরের কথা, সাধারণ চাহিদা বা প্রয়োজন মেটনোও সেখানে ছিল অকল্পনীয়। এই অভিজ্ঞতা কঙ্গনা অকপটে জানিয়েছেন অভিনেত্রী নেহা ধুপিয়ার টক শো ‘#নো ফিল্টার নেহা’র অতিথি হয়ে।

শুটিংয়ের সময় নিজের বিব্রতকর অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে কঙ্গনা জানান ‘রেঙ্গুন’ অভিজ্ঞতার কথা। এর আগে, ‘কুইন’ ছবির শুটিংয়ে মাঝেমধ্যে ইউরোপের কিছু ক্যাফের মধ্যে পোশাক বদলাতে হয়েছে কঙ্গনাকে। তবে ‘রেঙ্গুন’ অভিজ্ঞতা ছাড়িয়ে গেছে সবকিছুকে।

এই অভিজ্ঞতার কথা কঙ্গনা বলেন এভাবে, ‘এ রকম হতেই পারে। যখন স্বস্তির পরিসর থেকে আপনার বাইরে যেতে হবে, বিষয়টা একটু কঠিন মনে হয়। তবে এসব জায়গায় আপনি কত বড় তারকা, তাতে কিছুই যায় আসে না। আমরা অরুণাচলের দুর্গম অঞ্চলে শুটিং করেছি। ওখানে কোনো গ্রাম নেই, বসার জন্য কোনো ঘর নেই। পাথরের পেছনেই কাপড় বদলাতে হয়েছে। এমনকি প্রাকৃতিক কাজও!’

তবে এমন পরিস্থিতিতে সহকর্মীদের থেকে সহায়তা পেয়েছেন কঙ্গনা। ‘আমার সহকর্মীরা দূর থেকে জায়গাটা ঘিরে রেখেছে। সেখানে শহিদও ছিল (শহিদ কাপুর)। ওখানে তো কিছুই ছিল না, কাজেই উপায় তো আর নেই’, বলেন তিনি।

বিশাল ভরদ্বাজের পরিচালনায় ‘রেঙ্গুন’ ছবিতে কঙ্গনা ছাড়াও রয়েছেন শহিদ কাপুর এবং সাইফ আলী খান। চলতি বছরের অক্টোবরে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও সেটি পিছিয়ে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে গিয়ে ঠেকেছে।



মন্তব্য চালু নেই