দল বেঁধে আড্ডা দেওয়ার থেকে ফেসবুক চ্যাট করলে পাবেন এই ৫টি সুবিধা…

বাঙালি আর দল বেঁধে আড্ডা দেয় না। নতুন প্রজন্ম ফেসবুকে চ্যাট করতেই ব্যাস্ত। এমন অভিযোগ অনেকেই করেন। কিন্তু আসলে তাঁদের জানা নেই, ডিজিটাল-আড্ডার অনেক সুবিধা।

দল বেঁধে রক বা ঠেক-এ বসে আড্ডার মজাই আলাদা। এটা অস্বীকার করা যাবে না। কিন্তু তার অনেক অসুবিধার দিকও আছে যেগুলি নেই ফেসবুক বা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে আড্ডা দেওয়ার মধ্যে। জেনে নিন ৫টি মারাত্মক সুবিধা—

১। রকে বসে আড্ডাকে এখনও অভিভাবকরা পছন্দ করেন না। মেয়েদের ক্ষেত্রে তো নয়ই। কিন্তু ঘরে বসে সুবোধ বালক-বালিকা সেজে আড্ডা মারা যায়।

২। আড্ডা মানে একটা ঠিকানা। এটাই পুরনো রীতি। কিন্তু এই ব্যস্তাতার যুগে কফি হাউজের সেই আড্ডাটা জমিয়ে রাখা মুশকিল। তাই ট্রামে, বাসে, ট্রেনে বা ঘরে-অফিসে দিনরাত আড্ডার সুযোগ।

৩। রক বা রাস্তার মোড়ের আড্ডা মানে ছেলেদের। মেয়েদের আড্ডা মানে পুকুরপারে, ঘরের মধ্যে অথবা লেডিজ হোস্টেলে। তার আবার বিষয়ও ভাগ করা আছে। ছেলেরা আলপিন টু এলিফ্যান্ট নিয়ে কথা বলবে। মেয়ারা পিএনপিসি, সাজুগুজু, কেনাকাটা। না, ফেসবুকের আড্ডায় কোনও জেন্ডার বায়াস নেই।

৪। নির্দিষ্ট জায়গায় আড্ডা মানে নির্দিষ্ট বন্ধুবান্ধবদের নিয়ে। কলেজ, অফিস, পাড়া সব আলাদা করা। কিন্তু ডিজিটাল আড্ডায় ‘বসুধৈব কুটুম্বকম্’। যেখানে যত বন্ধু সবাই রয়েছে আড্ডায়। নতুন নতুন বন্ধুকে যুক্ত করাও সহজ।

৫। আড্ডা মানেই কথা বলা। মুখ ফসকে উল্টোপাল্টা বেরিয়ে গেলে ফিরিয়ে নেওয়ার উপায় নেই। আড্ডার বচসা থেকে গালাগালি, মারামারি হয়ে থানা-পুলিশ হওয়ার উদাহরণও কম নেই। নতুন প্রজন্মের আড্ডায় সে সব ঝামেলা নেই। বেফাঁস লিখে ফেললে এডিট এমনকী ডিলিট করারও উপায় রয়েছে।



মন্তব্য চালু নেই