এ সপ্তাহেই ঘোষণা হতে পারে নিজামীর রায়

দ্বিতীয়বারের মতো যেকোনো দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) থাকা মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে জামায়াতের আমির মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে মামলার রায় এ সপ্তাহেই ঘোষণা করা হতে পারে।

গত ২৪ মার্চ যুক্তিতর্ক শেষ হওয়ায় দ্বিতীয়বারের মতো যেকোনো দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখেন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীমের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

এর আগে গত বছরের ২০ নভেম্বর মামলাটি সিএভি রাখা হয়েছিল। কিন্তু রায় ঘোষণার আগেই ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি এ টি এম ফজলে কবির ঔই বছরের ৩১ ডিসেম্বর অবসরে চলে যান। পরে গত ২৩ ফেব্রুয়ারি এ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীম। তাঁর নেতৃত্বে ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রথম এ মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয় এবং ১০ মার্চ প্রসিকিউশনের যুক্তি উপস্থাপনের জন্য তারিখ নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল।

জানা যায়, এ মাসের শেষ নাগাদ যেকোনো দিন নিজামীর বিরুদ্ধে মামলার রায় ঘোষণা করতে পারেন ট্রাইব্যুনাল। তবে এটি নির্ভর করছে বিচারকদের রায় লেখার ওপর। বিচারকদের রায় লেখা শেষ হলেই তাঁরা রায় ঘোষণা করা হবে বলে জানা যায়।

সেই হিসেবে চলতি মাস ও সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস আগামী বুধবার। সুতরাং বুধবারের মধ্যে রায় ঘোষণা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার অভিযোগের এক মামলায় ২০১০ সালের ২৯ জুন মতিউর রহমান নিজামীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে একই বছরের ২ আগস্ট মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তার দেখানো হয় তাঁকে। তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা, খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের ১৬টি অভিযোগ আনা হয়। ২০১২ সালের ৯ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল এবং ২৮ মে অভিযোগ গঠন করেন। নিজামীর বিরুদ্ধে ২০১২ সালের ২৬ আগস্ট থেকে গত বছরের ৭ অক্টোবর পর্যন্ত তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক খানসহ ২৬ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দিয়েছেন। নিজামীর পক্ষে তাঁর ছেলে নাজিব মোমেনসহ চারজন সাফাই সাক্ষ্য দিয়েছেন।

সূত্র: কালের কণ্ঠ



মন্তব্য চালু নেই