একটি জাতীয় পরিচয় পত্রে সর্বোচ্চ ২০টি সিম নিবন্ধনের প্রস্তাব বিটিআরসি’র

একটি জাতীয় পরিচয় পত্রের বিপরীতে একজন গ্রাহক কতটি সিম নিবন্ধন করতে পারবেন, সে বিষয়ে বিধিনিষেধ আরোপ করার কথা ভাবছে সরকার। এদিকে বিটিআরসি’র পক্ষ থেকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়ে প্রেরিত এক প্রস্তাবে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ ২০টি করার কথা বলা হয়েছে।

বিটিআরসি’র এই প্রস্তাব গৃহীত হলে প্রতিটি জাতীয় পরিচয় পত্র ব্যভার করে একজন গ্রাহক একটি অপারেটরের সর্বোচ্চ পাঁচটি এবং সব মিলিয়ে সর্বোচ্চ ২০টি সিম নিবন্ধন করতে পারবেন।

মূলত টেলিকম খাতে বিদ্যমান বিশৃঙ্খলা এবং মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে গ্রাহক বাড়ানোর যে প্রতিযোগিতা রয়েছে, তাতে নিয়ন্ত্রণ আনতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে বলে বিটিআরসি’র একটি সূত্র জানিয়েছে। বর্তমানে পুরো বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে।

ভুয়া পরিচয়ে অথবা নিবন্ধন না করে সিম কিনে নানা অপরাধে ব্যবহারের অভিযোগ বাড়তে থাকায় সম্প্রতি গ্রাহকদের তথ্য যাচাই ও সিম পুনঃনিবন্ধনের উদ্যোগ নেওয়া হলে বিস্ময়কর সব তথ্য বেরিয়ে আসতে থাকে। সিমের তথ্য জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ভাণ্ডারের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে গিয়ে একটি ‘ভুয়া’জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে ১৪ হাজার ১১৭টি সিম তোলার তথ্য জানা যায়।

আর সব মিলিয়ে প্রথম এক কোটি সিমের মধ্যে সঠিকভাবে নিবন্ধিত সিম পাওয়া গেছে মাত্র ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৬৮০টি।

পরবর্তীতে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয় থেকে সর্বোচ্চ সিম সংখ্যা নির্ধারণ করতে বিটিআরসিকে একটি চিঠি দেওয়া হয়। সেখানে একটি জাতীয় পরিচয় পত্রের বিপরীতে এক অপারেটরের সর্বোচ্চ সাতটি এবং সব মিলিয়ে ২৪টির বেশি সিম না রাখার নিয়ম করা যেতে পারে। বিটিআরসিকে এর যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখতে বলা হয়।

পর্যালোচনা করে বিটিআরসি’র পক্ষ থেকে এক গ্রাহকের সর্বোচ্চ ২০টি সিম এবং এক অপারেটররের সর্বোচ্চ পাঁচটি সিম রাখার সীমা বেঁধে দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়।



মন্তব্য চালু নেই