আরও একটি সূচকে ভারত-পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে বাংলাদেশ

খাদ্য এবং বৈশ্বিক শান্তি সূচকের পর এবার আরও একটি সূচকে ভারত এবং পাকিস্তানের চেয়ে এগিয়ে গেলো বাংলাদেশ। এবার অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে ভারত এবং পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে ১২৮তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে পাকিস্তানের অবস্থান ১৪১ এবং ভারত রয়েছে ১৪৩তম অবস্থানে।

এর আগে খাদ্য সংকটের ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের ওপর গ্লোবাল হাংগার ইনডেক্সের (জিএইচআই) একটি তালিকা অনুযায়ী ভারত এবং পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। ১১৮টি দেশের ওপর ভিত্তি করে ওই তালিকা প্রকাশ করা হয়।

তালিকা অনুযায়ী, খাদ্য সংকটে ভারত এবং পাকিস্তানের তুলনায় বাংলাদেশ বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। অর্থাৎ ভারত এবং পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশে অভুক্ত মানুষের সংখ্যা তুলনামূলক কম।

বৈশ্বিক শান্তি সূচকে (জিপিআই) ১৬৩টি দেশের মধ্যেও ভারত এবং পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে এগিয়ে রয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্ব শান্তিসূচকে পাকিস্তান ১৫৩ এবং ভারত ১৪১তম অবস্থানে রয়েছে। অপরদিকে প্রতিবেশি দুই দেশকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশের অবস্থান ৮৩তম।

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে প্রথম দিকে অবস্থান করছে হংকং, সিঙ্গাপুর এবং নিউজিল্যান্ড। এই তালিকায় আফগানিস্তানের অবস্থান ১৬৩তম, মালদ্বীপ ১৫৭তম, নেপাল ১২৫তম, শ্রীলঙ্কা ১১২তম এবং ভুটানের অবস্থান ১০৭।

আমেরিকা ভিত্তিক থিংকট্যাংকের একটি প্রতিবেদনে বিভিন্ন দেশের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকের বার্ষিক ফলাফলে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিগত পাঁচ বছরে ভারতের অর্থনীতি ৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও প্রবৃদ্ধি নীতির কোনো পরিবর্তন হয়নি। এই নীতিই অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সংরক্ষণ করে।

ওই প্রতিবেদনে ভারতকে সবচেয়ে পরাধীন অর্থনীতির দেশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে ভারতের অবস্থান ছিল ১২৩তম।

বৈশ্বিক বাণিজ্যে ভারত বেশ শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। কিন্তু দুর্নীতি, অনুন্নত অবকাঠামো এবং জনসম্পদের দুর্বল ব্যবস্থাপনা সামগ্রিক উন্নয়নকে ব্যাহত করছে।

অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচকে বিগত বছরের তুলনায় ৫ দশমিক ৪ পয়েন্ট বেশি অর্জন করে ৫৭ দশমিক ৪ পয়েন্ট পেয়ে চীন ১১১তম অবস্থানে রয়েছে। আর যুক্তরাষ্ট্র ৭৫ দশমিক ১ পয়েন্ট পেয়ে ১৭তম অবস্থানে রয়েছে।



মন্তব্য চালু নেই