মেইন ম্যেনু

৫ দিন পরেও আন্দোলনের খবর নেই : হাছান মাহমুদ

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘বিএনপি ঈদের পর আন্দোলন করবে। অথচ ঈদের পর ৫ দিন অতিবাহিত হলেও তাদের কোনো খবর নেই। এখন বিএনপির নেতাদের কেউ সিঙ্গাপুর, কেউ লন্ডনে কেউবা সৌদি আরবে চলে গেছেন। কদিন পরে তাদের এই হুমকিগুলো ফাঁকা আওয়াজে পরিণত হবে।’

রোববার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির গোলটেবিল মিলনায়তনে ‘নাগরিক সমাজ’ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ৩৯তম মৃত্যু বার্ষিকীর এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

‘সরকার অস্ত্রের ভাষায় কথা বললে আমরাও অন্যভাষায় কথা বলবো’ বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘তার কথায় আবারও অরাজকতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। সরকার কখনো অস্ত্রের ভাষায় কথা বলেনি। তার কথায় আমরা ২০১৩ সালের মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির আভাস পাচ্ছি। যদি এমন কোনো পরিবেশ সৃষ্টি হয় তবে আমরাও বসে থাকব না। তাদের বিষদাঁত ভেঙে দেয়া হবে।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ঘুমন্ত বাঙালিকে হ্যামিলিওনের বাঁশিওয়ালার মতো জাগিয়ে তুলে দেশকে স্বাধীন করেছিলেন। দুঃখজনক হলেও সত্য যারা ঘটনা চক্রে ৭১ সালে মুক্তিযোদ্ধা হয়েছিলেন তারাই চক্রান্ত করে সাড়ে তিন বছরের মথায় বঙ্গবন্ধুকে খুন করেন।’

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিন পালনের সমালোচনা করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘একটি মানুষের কয়টি জন্ম তারিখ হয়? খালেদা জিয়ার ৪টি জন্ম তারিখ। বিয়ের রেজিস্ট্রিতে একটি, স্কুলে একটি, পাসপোর্টে একটি ও ভূয়া আরেকটি জন্ম তারিখ। দেশে এখন শোকের আগস্ট মাস শুরু হয়েছে। অথচ এই শোক দিবসে বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার একটি ভূয়া জন্মদিন পালন করেন। কেক কেটে আনন্দ উৎসব করেন।’

‘খালেদা জিয়াকে এবার ১৫ আগস্টে তার ভূয়া জন্মদিন না পালন করার আহ্বান’ জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘যদি তিনি এবারও সেই একই কাজ করেন, তবে প্রমাণিত হবে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল। আর সেটি প্রমাণ করতে শোক দিবসে কেক কেটে উৎসব করেন তিনি। উন্নত দেশে যদি জন্মদিন নিয়ে এমন বিভ্রান্তি করা হতো তাহলে তার নামে মামলা হতো। জেলে যেতে হতো।’

‘তোবা গ্রুপের শ্রমিকদের নিয়ে একটি গ্রুপ ষড়যন্ত্র করছে’ দাবি করে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘গতকাল শনিবার এই সকল ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ টেলিভিশনে উন্মোচিত হয়েছে। তারা ৪০ লাখ শ্রমিকের এই সেক্টরকে ধ্বংস করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে চায়।’

‘তোবা গ্রুপের শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধের জন্য মালিক ও বিজিএমইএর প্রতি অনুরোধ’ জানান তিনি।

হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি চিত্ত রঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, কার্যকরি পরিষদ সদস্য হেদায়েতুল্লাহ স্বপন, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, নারী নেত্রী ফাতেমা জামান সাথী প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই