মেইন ম্যেনু

হিন্দু সন্ত্রাসবাদীরা বাস্তবে বেরিয়ে এসেছে : বনশালি নিগ্রহে অনুরাগ

চরম হিন্দুত্ববাদীরা আর শুধু ভারচুয়াল দুনিয়ায় নেই। টুইটার ছেড়ে তারা বেরিয়ে এসেছে বাস্তবের দুনিয়ায়। হিন্দু সন্ত্রাস আর খুব বেশি দূরে নয়। পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালির নিগ্রহের ঘটনায় এভাবেই প্রতিক্রিয়া দিলেন আর এক পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ।

এর আগেও বিভিন্ন সামাজিক ঘটনায় সরব হতে দেখা গিয়েছে অনুরাগকে। পাক অভিনেতা থেকে করণ জোহরের ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’ যখন বিপাকে পড়েছিল, তখন তার জন্য সরাসরি ভারতের প্রধানমন্ত্রীকেই দায়ী করেছিলেন অনুরাগ। এবার মুখ খুললেন বনশালি নিগ্রহ নিয়ে। জয়পুরে ‘পদ্মাবতী’ ছবির শুটিং চলাকালীন বিক্ষোভের মুখে পড়েন বনশালি।

করনি সেনাদের অভিযোগ, ছবিতে বিকৃত করা হয়েছে ইতিহাস। রানি পদ্মাবতীকে যেভাবে দেখানো হচ্ছে তা আসলে ভুল। মিথ্যা না মানার কারণেই ছিল প্রতিবাদ। তাতে রীতিমতো হেনস্তার মুখে পড়তে হয় বনশালিকে। থাপ্পড় মারা হয় তাকে। ভাঙচুর করা হয় সেট। করনি সেনাদের দাবি, তারা ইতিহাসের বিকৃতি কোনওভাবেই মেনে নেবেন না। ঠিক এখানেই প্রশ্ন তুলেছেন অনুরাগ। তার প্রশ্ন, যারা জীবনভর গবেষণা করছেন, তাদের থেকে যারা পড়াশোনা করে না তারা কি ভাল জানেন কোনটা ঠিক।

করনি সেনাদের একহাত নিয়ে তিনি বলেছেন, নিজেকে রাজপুত ভাবতে এখন তার লজ্জা করছে। এই প্রসঙ্গেই পুরো ঘটনায় হিন্দু সন্ত্রাসের ছায়াও দেখেছেন তিনি। ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছেন বলিউডের অন্যান্যরাও।

তবে নেটদুনিয়ায় অনেকের মত, অনুরাগ যেভাবে পুরো বিষয়টির ব্যাখ্যা করলেন তা যথাযথ নয়। কোনও রকম হিংসাত্মক ঘটনাই কাম্য নয় জানিয়ে তাদের বক্তব্য, কিন্তু তা বলে হিন্দু সন্ত্রাস হিসেবেও কোনও বিক্ষিপ্ত ঘটনাকে দাগিয়ে দেওয়া যায় না। এর আগেই টুইটারে কিছু মানুষের প্রতিক্রিয়া মেজাজ হারিয়েছিলেন অনুরাগ। এবারও সম্ভবত সে ঘটনার পুনরাবৃত্তি হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে। ঘটনার নানা দিক খতিয়ে দেখা উচিত বলেও অনেকের মত, তা নিয়ে উত্তেজিত মন্তব্য করলে হিতে বিপরীতই হতে পারে।






মন্তব্য চালু নেই