মেইন ম্যেনু

স্টার জলসা-জি বাংলা সম্প্রচার নিয়ে রায় ২৯ জানুয়ারি

বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় তিনটি টিভি চ্যানেলের (স্টার জলসা, স্টার প্লাস ও জি বাংলা) সম্প্রচার বন্ধের বিষয়ে করা রিটের রায় হবে আগামী ২৯ জানুয়ারি। এ বিষয়ে জারি করা রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে বুধবার (২৫ জানুয়ারি) বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরী ও বিচারপতি জে বি এম হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায়ের জন্য এই দিন নির্ধারণ করেছেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী একলাছ উদ্দিন ভূইয়া। স্টার জলসা ও স্টার প্লাসের পক্ষে সাবেক আইন মন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু এবং জি বাংলার পক্ষে আইনজীবী শামসুল হাসান শুনানি করেন।

রুল শুনানিতে একলাস উদ্দিন ভূইয়া আদালতে বলেন, ভারতীয় এই তিনটি টিভি চ্যানেলের প্রভাবে বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মূল্যবোধের অবক্ষয় ঘটছে। এর ফলে দেশীয় সংস্কৃতি বিনাশ, এমনকি বাংলাদেশের নিজস্ব সংস্কৃতি হুমকির মুখে এবং ছাত্রছাত্রীদের লেখাপড়ায়ও ব্যঘাত ঘটছে। ইতিমধ্যে এই সকল চ্যানেল আসক্তির ফলে একাধিকবার শিশু-কিশোরের জীবনহানী ঘটছে। এমনকি স্বামী-স্ত্রী ঝগড়া, পরকীয়া, তালাক এবং স্ত্রী কর্তৃক স্বামীকে খুন করার ঘটনা ঘটেছে।

গত ৮ জানুয়ারি এ মামলার রুলের ওপর চূড়ান্ত শুানি শুরু হয়। বুধবার সেই শুনানি শেষে আদালত ২৯ জানুয়ারি রায়ের দিন ধার্য করেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের জুলাই মাসে পবিত্র ঈদুল ফিতরের সময় স্টার জলসার ‘বোঝেনা সে বোঝেনা’ সিরিয়ালের পাখি চরিত্রের নামে পোশাক কিনতে না পেরে বাংলাদেশে অনেকে আত্মহত্যা করে। এ নিয়ে পত্রপত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেসব সংবাদ যুক্ত করে ওই বছরের আগস্ট মাসে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় একটি রিট করেন আইনজীবী সৈয়দা শাহীন আরা লাইলী।

রিটে উল্লেখ করা হয়, ২০০৬ সালের কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক আইনের কতিপয় ধারা লংঘনের মাধ্যমে এই সমস্ত চ্যানেল বাংলাদেশে প্রচারিত হচ্ছে।

সেই রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে ২০১৪ সালের ১৯ অক্টোবর হাইকোর্ট রুল জারি করেন। রুলে বাংলাদেশে ভারতীয় তিনটি টিভি চ্যানেলের (স্টার জলসা, স্টার প্লাস ও জি বাংলা) সম্প্রচার বন্ধে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়।






মন্তব্য চালু নেই