মেইন ম্যেনু

সোনাইমুড়ীতে চাঁদা না দেওয়ায় গৃহবধূর নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে

এইচ.এম আয়াত উল্যা, স্টাফ রিপোর্টার, নোয়াখালী : নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নের শীলমুদ গ্রামে চাঁদা না দেওয়ায় এক গৃহবধূর নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ছেড়ে দিয়েছে স্থানীয় দ্বীন মোহাম্মদের বখাটে পুত্র সাফেয়েত হোসেন সেন্টু (৩০) বুধবার (২৬ এপ্রিল ) সেন্টু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে গৃহবধূর নগ্ন ছবিগুলো ছড়িয়ে দিলে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ওই গৃহবধূর স্বামী ইসমাঈল হোসেন ও স্থানীয়রা সেন্টু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে গৃহবধূর নগ্ন ছবি ছড়িয়ে দিয়েছে অভিযোগ করে জানান, ২০১৪ সালের ৬ জুন গৃহবধূর স্বামী প্রবাসে থাকার সুবাধে রাতের আধারে একই বাড়ির দ্বীন মোহাম্মদের বখাটে পুত্র সাফেয়েত হোসেন সেন্টু গৃহবধূর বসত ঘরে ঢুকে তার শিশু পুত্রের গলায় চুরি ধরে ওই গৃহবধূকে নগ্ন করে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং মোবাইলে নগ্ন ছবি ধারণ করে নেয়। ঘটনার বিষয়ে কাউকে জানালে নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয় সেন্টু। যে কারণে ইজ্জতের ভয়ে গৃহবধূ বিষয়টি কাউকে জানায়নি। ঘটনার কিছু দিন পর বখাটে সেন্টু নগ্ন ছবিগুলো দিয়ে গৃহবধূকে ব্ল্যাক মেইল করে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। নিজ ইজ্জত রক্ষায় কাউকে না জানিয়ে সেন্টুকে দাবিকৃত ৫০ হাজার টাকা প্রদান করেন গৃহবধূ।পরবর্তীতে অতিউৎসাহিত হয়ে সেন্টু গৃহবধূর নগ্ন ছবিগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়া হুমকিতে আরো ৩ লক্ষ টাকা দাবি করে। পরে বিষয়টি গৃহবধূ তার স্বামী সহ স্থানীয়দের জানালে সেন্টু ক্ষিপ্ত হয়ে চলতি বছরের ৪ ফেব্রুয়ারী সন্ধ্যায় ওই গৃহবধূর ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং নানারূপ হুমকি ধমকি দেয়। পরে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারী নোয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে সেন্টুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে স্থানীয়দের হস্তক্ষেপে ১০ ফেব্রুয়ারী এক সালিশ বৈঠকে নগ্ন ছবি ইন্টারনেটে ছড়াবে না এবং ওই গৃহবধূকে কোন প্রকার অশোভনীয় ও যৌন হয়রানীকর আচরণ করবে না মর্মে অঙ্গিকার নামা প্রদান করে সেন্টু। কিন্তু গত বুধবার সেন্টু সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভুয়া আইডি খুলে গৃহবধূর নগ্ন ছবিগুলো ছড়িয়ে দেয়। এতে এলাকায় ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী বখাটে সেন্টুকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।






মন্তব্য চালু নেই