মেইন ম্যেনু

সেদিন সেঞ্চুরির পর মা আর স্ত্রীকে ফোনে গান গেয়ে শুনিয়েছিলেন যুবরাজ!‌

ছটফটানি দেখলে বয়সটা গুলিয়ে যায়!‌ সে গুলিয়ে গেল তো ভারি বয়েই গেল। চুপটি করে তাঁকে বসিয়ে রাখবে কার সাধ্য?‌ ঘন ঘন ফোনে চোখ বোলানো, গুগলে চটপট সার্চ, ম্যাচের লাইভ আপডেটের পেজে মুহুর্মুহু ঢুকে পড়া— সবই করছিলেন। কিন্তু তাতেও যেন ছটফটানি যাচ্ছিল না। ফোনটা কানে দিয়ে কাউকে ধরার আপ্রাণ চেষ্টা করলেন কয়েকবার। কিন্তু নেটওয়ার্কের গোলমালে ধরা যাচ্ছিল না। তারপর একটা সময় তো ফোন ‘‌ফ্লাইট মোডে’‌ দিতে হল। মাটি ছেড়ে যখন আকাশে উঠল বিমান তখন তো ধুকপুকুনি চরমে পৌঁছল।

সেই থেকে কার কথা বলছি?‌ হ্যাজেল কিচ। কটকে যুবরাজ যখন ব্যাট করছেন, তখন বিমানে ছিলেন হ্যাজেল কিচ। তাই ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও যুবির খেলা লাইভ দেখা হয়নি তাঁর। তবে বিমান থেকে নেমেই জানতে পারেন। আর জানতে পারার পরই আরও একবার ছোট শিশুর মতোই লাফিয়ে উঠেছিলেন হ্যাজেল। তাঁর এই ছটফটানি, উচ্ছ্বাস যুবরাজ সিং জানেন না। তবে জানেন শবনম। যুবির মা।

পুত্রবধূ হিসেবে হ্যাজেলকে পেয়ে যিনি খুব খুশি। বলেছেন, ‘‌হ্যাজেল ছোট্ট মেয়ের মতোই ছটফটে। যুবির খেলা আমি শুরুর দিন থেকে দেখে আসছি। কিন্তু ওর কাছে তো ব্যাপারটা নতুন। তাই চাইছিল ম্যাচটা সরাসরি দেখতে। কিন্তু বেচারি সেটা পারেনি। তখন বিমানে ছিল। তাই বিমানে ওঠার আগে থেকে আরও বেশি ছটফট করতে শুরু করেছিল। আসলে উৎকণ্ঠা, আশা, আবেগ সব মিলেমিশে গিয়েছিল। ওর মনে কী চলছিল, সে শুধু আমিই বুঝতে পারছিলাম। তবে ভাল লাগছিল, যুবির খেলা দেখার জন্য ওর ভেতরে এই আকুতি, ছটফটানি দেখে। যুবির জন্য হ্যাজেল সত্যিই লাকি। বিয়ের পর আমার ছেলের জীবনটাই বদলে গেছে।

ছেলে জীবনসঙ্গী হিসেবে হ্যাজেলকে পেয়েছে বলে, আমি খুব খুশি।’‌ তা মা আর পুত্রবধূর এই সম্পর্কের শেকলটা যাঁকে কেন্দ্র করে মজবুত হচ্ছে সেই যুবরাজ সেঞ্চুরি করার পর বাড়িতে ফোন করে কী বলেছিলেন?‌ শবনম জানিয়েছেন, ‘‌ছেলের গলা শুনেই বুঝেছি ও কতখানি খুশি। আমাকে আর হ্যাজেলকে সেদিন রাতে গান গেয়েও শুনিয়েছে যুবি।’‌-আজকাল ‌






মন্তব্য চালু নেই