মেইন ম্যেনু

সানির সাথে নাসরিনের মোবাইলে পরিচয়, বিয়ে হয় ২০১৪ সালে

২০১০ সালে বন্ধুর মাধ্যমে মোবাইল ফোনের নম্বর আদানপ্রদান। এরপর নাসরিন সুলতানার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ক্রিকেটার আরাফাত সানি। দীর্ঘ সময়ে অনেক ঘোরাঘুরির মধ্যে অন্তরঙ্গতাও বাড়ে দুজনের। প্রেমের টানে ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর পরিবারের অজ্ঞাতে বিয়েও করেন তারা। কিন্তু মেয়েকে ঘরে তুলে নেননি আরাফাত সানি। বলে-কয়েও ঘরে উঠতে পারেননি নাসরিন।

এখানেই শেষ নয়। অনেকবার নাসরিন দুই পরিবারকে বিয়ের বিষয়টি জানিয়ে ঘরে তোলার জন্য চাপ দিতে থাকেন। কিন্তু আরাফাত সানি নানা অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন।

নাসরিন সুলতানা জানান, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর কুনিপাড়ায় বোনের বাসায় সানি কাজী ডেকে এনে বিয়ে করেন। বিয়েতে সানির বন্ধু মনজুর হোসেন ও শরিফ উপস্থিত ছিলেন। নাসরিনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন তার বোন ও ভগ্নিপতি। বিয়ের পর অনুষ্ঠান করে তাকে ঘরে তুলবেন বলে ঘুরাতে থাকেন সানি।

নাসরিনের পক্ষে আদালতে দাখিল করা নিকাহনামায় দেখা যায়, কাজী আনোয়ার হোসেন তাদের বিয়ে রেজিস্ট্রি করেছেন। এতে ঢাকা জেলার খিলগাঁও থানা, মেরাদিয়া, অফিস-২০/সি ঠিকানা উল্লেখ আছে। বিয়েতে ৫ লাখ ১ টাকা দেনমোহর দেখানো হয়েছে। বিয়েতে সানির অন্য স্ত্রী নেই বলে কাবিননামায় উল্লেখ করা হয়। দেনমোহর সম্পূর্ণ বাকি দেখানো হয়।

তবে সানির আইনজীবী জুয়েল আহম্মেদের দাবি, নাসরিনের এই বিয়ের কাহিনী মিথ্যা ও সৃজিত।

তিনি আরও বলেন, ‘সানি ৭ বছর আগে অন্য আরেকটি মেয়েকে বিয়ে করেছেন।’ এ্ই দাবি করলেও বিয়ের কোন কাগজ জুয়েল দেখাতে পারেননি।

এদিকে নাসরিন জানান, কুনপিাড়ায় বোনের বাসার পাশে ৬ মাস তারা একসঙ্গে ছিলেন, এ সময় বাসা ভাড়া ও ভরণপোষণ সানিই দিত। হঠাৎ সানি তাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করে। অপরদিকে, তাকে ঘরে তুলে নিতে শুধু সময় ক্ষেপণ করেছে।

তিনি বলেন, ‘সানি আমার ফেসবুকের ইনবক্সে অশ্লীল ছবি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করে। হুমকি দেয় আরো ছবি আসছে। বাধ্য হয়েই আইনের আশ্রয় নিয়েছি।’

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি নাসরিন সুলতানা নামের এক তরুণী সানির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। তার দাবি, সানির সঙ্গে তাঁর বৈবাহিক সম্পর্ক আছে। আরাফাত সানি ফেসবুকে এই তরুণীর নামে একটি ফেক আইডি খুলেছিলেন। সেই আইডিতে ওই তরুণীর নগ্ন ছবি পোস্ট ও ব্ল্যাকমেইল করে আসছিলেন তিনি। এঘটনায় তরুণী বাদী হয়ে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে গত ৫ জানুয়ারি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার সকালে গ্রেফতার করা হয়েছে আরাফাত সানিকে। এর আগে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ইয়াহহিয়া আহমেদ জানান, আমিনবাজার এলাকা থেকে সানিকে গ্রেফতার করে থানায় নেওয়া হয়। দুপুর ১২টার দিকে তাঁকে আদালতে নিয়ে যাওয়া হয়। বিকেল ৩টার দিকে আরাফাত সানির রিমান্ড ও জামিন শুনানি হয়। একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।






মন্তব্য চালু নেই