মেইন ম্যেনু

সাতক্ষীরায় উপ-বৃত্তির টাকা বিতরণকালে ১০০/১৫০ টাকা কর্তণ

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের বিভিন্ন শিা প্রতিষ্ঠানে শিার্থীদের মাঝে উপ-বৃত্তির টাকা বিতরণকালে প্রত্যেকের নিকট থেকে ১০০/১৫০ টাকা করে কেটে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ইউনিয়নের মাড়িয়ালা, গাজীপুর, কলিমাখালী ও কাকড়াবুনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও মাদরাসা শিার্থীদের মাঝে সরকারি সহায়তা উপ-বৃত্তির টাকা বিতরণ করা হয়েছে। শিার মান উন্নয়ন, ঝরে পড়া রোধ ও শিার্থীদের স্কুলে গমনে উৎসাহিত করার ল্েয সরকার উপ-বৃত্তি চালু করে। কিন্তু কোন কোন স্কুলে টাকা বিতরণের সময় সেশান চার্জ, অফিসারদের খরচ প্রদান ও অন্যান্য ফিসের অজুহাত দেখিয়ে টাকা কেটে নেয়া এবং কোন কোন স্কুলে ভূয়া শিার্থী দেখিয়ে টাকা উত্তোলন করে আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠে আসছে। টাকা দিতে অস্বীকার করলে কিংবা অভিযোগ করলে ভবিষ্যতে উপ-বৃত্তি প্রকল্প থেকে নাম বাদ দেয়া হবে বলে ভয়ভীতি প্রদর্শণ করায় শিার্থী ও অভিভাবকরা উচ্চ বাচ্য না করে টাকা দিতে বাধ্য হয়ে থাকেন। স্থানীয় ইউপি সদস্য রুহুল আমিন জানান, তিনি টাকা বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন। ১০০/১৫০ টাকা করে কর্তণ করতে দেথে তিনি মাড়িয়ালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক অজিয়ার রহমান ও সহকারী শিক আঃ রউফের সাথে কথা বলেন। শিকরা বলেন অফিসারদের খরচ দেয়াসহ বিভিন্ন খরচের জন্য টাকা নেয়া হচ্ছে। ২০০ জন শিার্থীর নিকট থেকে ১০০/১৫০ টাকা করে নিলে ২০/৩০ হাজার টাকা উঠবে এত টাকা না নিয়ে ১০/২০ টাকা করে নেয়ার পরামর্শ্ব দেন মেম্বার রুহুল আমিন। কিন্তু তার কথা শোনা হয়নি বলে তিনি (মেম্বার) জানান। এব্যাপারে মাড়িয়ালা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক অজিয়ার রহমানের সাথে মোবাইলে কথা বললে তিনি টাকা কেটে নেয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, সেশান চার্জের টাকা বাবদ প্রত্যেকের নিকট থেকে টাকা নেয়া হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিা অফিসার এস এম সুলতান মাহমুদ জানান, “পরীা ফি, সেশান চার্জ এর টাকা নেয়া যেতে পারে। তবে সেটি বৃত্তির টাকা দেয়ার সময় নয় বরং পরবর্তীতে নেয়া শ্রেয়।” উপবৃত্তির টাকার প্রাপক শিার্থীরা, তারা অভিভাবকদের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ল্য অর্জনের জন্য এ টাকা ব্যয় করবে। কিন্তু টাকা না দিয়ে কেটে নেয়ার ঘটনা অভিভাবকদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করেছে। এব্যাপারে উর্দ্ধতন কর্তৃপরে হস্তপে কামনা করা হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই