মেইন ম্যেনু

সব উড়োজাহাজকে ‘বিমান’ বলা যাবে না

আকাশ পথ অথবা কোনো এয়ারলাইন্স নিয়ে খবর লিখতে সস্তা চিন্তায় ‘বিমান’ শব্দটি ব্যবহার করা যাবে না। রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স নাম হলেও সংক্ষেপে শুধু ‘বিমান’ নামেও সুপরিচিত। অন্য কোনো এয়ারলাইন্সকে কোনোভাবেই ‘বিমান’ বলা যাবে না।

কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করা যায়, দেশের কিছু বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকাসহ অন্যান্য পত্রিকা, অনলাইন পোর্টাল, টেলিভিশন, সাপ্তাহিক, মাসিক পত্রিকা ও ম্যাগাজিনে উড়োজাহাজ আকাশযান, উড়োযান বোঝাতে ‘বিমান’ শব্দটি ব্যবহার করে থাকে।

এয়ারক্রাফট, এ্যারোপ্লেন এগুলো বাংলায় ‘বিমান’ না লিখে উড়োজাহাজ, আকাশযান, এয়ারক্রাফট ইত্যাদি শব্দ দিয়ে বোঝানো সম্ভব। একটি সঠিক শব্দ সঠিক জায়গায় ব্যবহার না হলে সাধারণ মানুষসহ সকলেই বিভ্রান্ত হয়।

সম্প্রতি বিষয়টি নজরে এসেছে বিমানের জনসংযোগ শাখার মহাব্যবস্থাপক শাকিল মেরাজের। তিনি জানান, বিমান ইতোমধ্যে ৪৫ বছর পূর্ণ করেছে। প্রতিষ্ঠানটির নাম ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স’ দেশে-বিদেশে বিমান বলতে জাতীয় এয়ারলাইন্স বিমানকেই বোঝায়। অন্যান্য এয়ারলাইন্স, বিমানবন্দরে কর্মরত অন্যান্য সংস্থা, সিভিল এভিয়েশন অথরিটিগুলোও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে সংক্ষেপে ‘বিমান’ নামেই চেনে। শুধু এভিয়েশন খাত নয়, সাধারণ মানুষ, যাত্রীসহ অন্যান্য শ্রেণি-পেশার মানুষও ‘বিমান’ বলতে বোঝেন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সকে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন সময়ে দেশি-বিদেশি এয়ারলাইন্সের দুর্ঘটনা, ফ্লাইট বিলম্বিত হওয়া, লাগেজ হারানো অথবা উড়োজাহাজ হতে স্বর্ণ বা অবৈধ পণ্য উদ্ধার হলে নির্দিষ্ট এয়ারলাইন্সের নাম বা উড়োজাহাজ শব্দটি ব্যবহার না করে ‘বিমান’ শব্দটি ব্যবহার করে এমনকি শিরোনামেও জোরালোভাবে ‘বিমান’ শব্দটি লেখা হয়।

শাকিল মেরাজ আরো বলেন, বিমান আজ সমৃদ্ধির পথে এগোচ্ছে। নতুন প্রজন্মের নতুন নতুন উড়োজাহাজ বিমানবহরে সংযোজিত। যেকোনো সময়ের চেয়ে বিমানবহর এখন আধুনিক এবং তারুণ্য দ্বীপ্ত। রাষ্ট্রায়ত্ত এয়ারলাইন্সের ভাবমূর্তি রক্ষার্থে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন তিনি।






মন্তব্য চালু নেই