মেইন ম্যেনু

শিক্ষামন্ত্রীই এখনো শিখছেন!

তিনি শিক্ষামন্ত্রী। তবুও শিখছেন। যেখানে যাচ্ছেন, সেখান থেকেই কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করছেন। তিনি শিক্ষামন্ত্রী হলেও আসলে কম শিক্ষিত।

রোববার বিকেলে নগরীর জিন্দাবাজারস্থ অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজে মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষকদের ভূমিকা শীর্ষক মতবিনিময় সভায় এভাবেই বিনয় দেখালেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আমি কম জ্ঞানী, কম শিক্ষিত। দেশের যে স্থানেই যাই, যে অনুষ্ঠানেই অংশগ্রহণ করি, সেখান থেকেই কিছু না কিছু শেখার চেষ্টা করি। আমি সব সময় শিখতে চাই।’

ব্যক্তির মান উন্নয়নে আত্মসমালোচনার গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘সরকার শিক্ষার মানকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে আমাদেরও ভুলত্রুটি থাকতে পারে। কোথায় ভুল আছে সেটা ধরিয়ে দিয়ে আমাকে সহযোগিতা করুন। এটা করলে আমি খুশি হব।’

শিক্ষকদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের যেভাবে শিক্ষা দেবেন সেইভাবে তারা গড়ে উঠবে। তাই শিক্ষকরাই শিক্ষার নিয়ামক শক্তি। আর শিক্ষার সাথে আমিসহ যারা জড়িত রয়েছেন তারা হলেন শিক্ষকদের যোগানদাতা। শিক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সরকারের পাশাপাশি সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।’

সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভালো পড়াশুনা হয়, এগুলো সব সময় ভালে ফলাফল করে। শিক্ষক স্বল্পতার কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, ‘সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নিয়োগের কিছু জটিলতা আছে। তবে শিগগিরই এসব সমস্যা সমাধান করা হবে।’

বাংলাদেশ সরকারি শিক্ষক সমিতি সিলেট শাখা আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন হবিগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. গফ্ফার আহমেদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, সিলেট মেট্রোপলিটন ইউনির্ভাসিটির ভাইস চ্যন্সেলর প্রফেসর ড. সালেহ উদ্দিন আহমদ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড সিলেট অঞ্চলের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর কবির আহমদ।

সভায় আরো বক্তব্য দেন- অগ্রগামী সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা বাবলী পুরকায়স্থ। প্রবন্ধ পাঠ করেন সহকারী শিক্ষক কবির খান।






মন্তব্য চালু নেই