মেইন ম্যেনু

শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ শিক্ষার্থীর যৌন হয়রানির অভিযোগ

শরীয়তপুরের বিনোদপুর ঢালীকান্দি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম কাউছারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এক শিক্ষার্থীর করা অভিযোগ তদন্ত করতে গিয়ে আরও ১০ শিক্ষার্থীরকে যৌন হয়রানির অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তা।

এর আগে গতকাল সোমবার ভুক্তভোগী এক ছাত্রীর অভিভাবক তার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে একটি লিখিত অভিযোগ করেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফারুক আলমকে তদন্ত করে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

শিক্ষার্থী ও অবিভাবকরা জানায়, দীর্ঘদিন যাবৎ বিদ্যালয়ের ৪র্থ ও ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ধরণের খারাপ প্রস্তাব দিয়ে আসছিল বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কাউছার। প্রায়ই ছাত্রীদের তার কক্ষে ও ছাদে ডেকে নিয়ে মোবাইলে বিভিন্ন ধরণের আপত্তিকর ভিডিও দেখিয়ে ছাত্রীদের সাথে অশ্লীল আচরণ করত। পরীক্ষায় ফেল করিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে অভিবাকদের কাছে বিষয়টি বলতে নিষেধ করে ওই শিক্ষক।

গতকাল সোমবার এক ছাত্রী তার অভিবাককে বিষয়টি অবহিত করলে অভিবাকদের জিজ্ঞাসাবাদে একে একে বেরিয়ে আসে আরও ১০ ছাত্রীর সাথে একই ধরণের আচরনের চিত্র। গতকাল সোমবার বিকেলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী এক শিক্ষার্থীর বাবা।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে ওই দিনই সদর উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফরুক আলমকে তদন্ত করে ৩ কর্ম দিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান। আজ মঙ্গলবার তদন্তে গিয়ে ঘটনার সত্যতা পেয়েছে তদন্তকারী কর্মকর্তা। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচারের দাবিতে আজ মঙ্গলবার সকাল থেকেইে বিদ্যালয়ে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ করতে থাকে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

এ সময় অভিযুক্ত শিক্ষককে বিদ্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে অভিযুক্ত শিক্ষককে থানায় নিয়ে যায়। একই অভিযোগে গত বছর স্থানীয়দের সমন্বয়ে সালিশ করে শিক্ষককে সতর্ক করেছিল এলাকাবাসী ও বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি।






মন্তব্য চালু নেই