মেইন ম্যেনু

শরীয়তপুরে এমপিকে প্রধান অতিথি না করায় ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা বন্ধ

শরীয়তপুর প্রতিনিধি: শরীয়তপুর ডামুড্যা উপজেলার ধানকাটি ইউনিয়নের মীর আব্দুল মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা শরীয়তপুর ৩ আসনের এমপি নাহিম রাজ্জাককে প্রধান অতিথি না করায় বন্ধ কওে দেয়া হয়েছে।

অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে আজ শুক্রবার সকাল বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা চলাকালীন সময় উপজেলা নেতাকর্মীরা এসে বিদ্যালয়ের সভাপতি আলহাজ¦ ওমর নূর ( মোস্তফা মীর) কে বন্ধ করতে বাধ্য করে। এতে অভিভাবক ও স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আব্দুল মজিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চলছিল। কয়েকটি ইভেন্টের খেলা শেষও হয়েছিল। এরই মধ্যে উপজেলা নেতাকর্মীরা এসে ভয়ভীতি দেখিয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা বন্ধ করে দেয়।

ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে প্রথম দিনের প্রধান অতিথি ছিলেন জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার সাইফুল্লাহ আল মামুন। ২য় দিনের প্রধান অতিথি ছিলেন শরীয়তপুর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছাবেদুর রহমান খোকা সিকদার। জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বলেন, বাচ্চাদের স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া দুঃখজনক। যেখানে উপজেলা নেতাকর্মীরা এ ধরনের অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করবে, তা না করে অনুষ্ঠান বন্ধ করে দিয়েছে।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক সিরাজ উদ্দিন বলেন, প্রতিবছর বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা প্রত্যেক স্কুলের রুটিন মাফিক বার্ষিক পরীক্ষার পর অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। এই প্রতিযোগিতায় সকল ছাত্র-ছাত্রী খুবই উৎসাহ নিয়ে অংশগ্রহণ করে। দৌড়-ঝাপ ছাড়াও মৌরগ লড়াই থেকে শুরু করে কোনো খেলাধূলাই বাদ যায় না। সমস্ত স্কুল মাঠ সাজানো হয় রং-বেরং কাগজ দিয়ে। উৎসব আমেজ সকলের মাঝে ছড়িয়ে পড়ে। আনন্দ আর হৈ-হুল্লাড় মধ্যে একটি দিন কেটে যায়। কেউ প্রথম, কেউ দ্বিতীয়, কেউ তৃতীয়, কেউ হারে। তারপরও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার কোনো তুলনা হয় না। এতে অভিভাবক থেকে আত্মীয় স্বজন, এলাকার লোকজন সবাই উপভোগ করে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা বিনোদনের একটি অংশ হয়ে দাঁড়ায়। এমন একটা অনুষ্ঠান বন্ধো করে দেয়া আমাদের জন্য দুঃখ জনক।

স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. নূরুল আমিন হাওলাদার বলেন, এমপি মহোদয়কে প্রধান অতিথি না করায় আজকে আমাদেও অনুষ্টানটি বন্ধো করে দেয়া হয়।

অত্রবিদ্যালয়ের সভাপতি প্রফেসর আলহাজ¦ ওমর নূর ( মোস্তফা মীর) বলেন, আমি একটি ভুল করেছি, এমপি মহোদয়কে প্রধান অতিথি না করে, এ ভুলের জন্য আমি প্রশাসনের, স্থানীয় নেতাকর্মী, সাংবাদিকদের মাধ্যমে তার কাছে ক্ষমা চেয়েছি যেন আমার এই ভুলের জন্য এই কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের আনন্দ ধূলিষাসীত না হয়। কিন্তুু আমার এই ভ’লের ক্ষমা চেয়েও কোন লাভ হয় নাই, উপজেলা নেতাকর্মীরা আমাকে ভয়ভীতি দেখিয়ে অনুষ্ঠান বন্ধো করতে বাধ্য করে।






মন্তব্য চালু নেই