মেইন ম্যেনু

লঙ্কানদের সাফল্যের দূর্গে লেখা হবে কি টাইগারদের নতুন ইতিহাস?

দলগত ও ব্যক্তিগত মিলে বাংলাদেশেরও একজোড়া সুখ স্মৃতি আছে। তবে সবদিক বিচার-বিশ্লেষণ করলে সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠ হলো শ্রীলঙ্কার পয়োমন্তঃ ক্রিকেট ভেন্যু। লঙ্কানদের প্রথম ওয়ানডে জয়ের ভেন্যু এই সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠ। এই মাঠেই ১৯৮৬ সালে এশিয়া কাপে পাকিস্তানকে হারিয়ে একদিনের ক্রিকেটে প্রথম জয়ের দেখা পায় শ্রীলঙ্কা।

এছাড়া শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটের সব সময়ের সোনার ছেলে চামিন্দা ভাসের এক দুর্দান্ত বোলিং স্পেল, যা বিশ্ব রেকর্ডও, সেটাই এই মাঠে। ২০০১ সালের ৮ ডিসেম্বর এই মাঠে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১৯ রানে আট উইকেট দখল করেছিলেন সাবেক লঙ্কান ফাস্ট বোলার ভাস। সেটাই একদিনের ক্রিকেটে এক ম্যাচের সেরা বোলিং ফিগার। ১৬ বছর পরও সে রেকর্ড বহাল। এখনো ওয়ানডে ক্রিকেটের সেরা বোলিং হিসেবে ভাসের ঐ রেকর্ড অটুট আছে।

কিন্তু সেই সাফল্যের স্বর্গ কি এবার লঙ্কানদের ব্যর্থতার ভেন্যু হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে? আগামীকাল (শনিবার) তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে মাশরাফির দল জিতে গেলেই সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব মাঠ হয়ে যাবে বাংলাদেশের সাফল্যের নতুন ভেন্যু। আর ৩১ বছর আগে যে মাঠে প্রথম ওয়ানডে জয় এসেছিল, সেই মাঠে বাংলাদেশের কাছে প্রথমবার ওয়ানডে সিরিজ হারের ভেন্যু হয়ে থাকবে।

এমন নয়, বাংলাদেশ শুধু দুর্বল ও আনকোরা জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধেই ঘরে মাঠে সিরিজ জিতেছে। দেশের বাইরে ওয়েষ্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজ জয়ের রেকর্ডও আছে টাইগারদের। আর ঘরের মাঠে গত দেড় বছরে পাকিস্তান, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে ওয়ানডে সিরিজে পর পর হারানোর কৃতিত্বও আছে মাশরাফিবাহিনীর।

(শনিবার) এসএসসিতে জিতলে ভারত, পাকিস্তান ও দক্ষিণ আফ্রিকার পর শ্রীলঙ্কাকে ওয়ানডে সিরিজে হারানোর অধরা কৃতিত্বও হবে অর্জিত। তারচেয়ে বড় কথা, দুর্বল জিম্বাবুয়ে আর ভাঙাচোরা ও ‘এ’ দলের মোড়কে খেলা ওয়েষ্ট ইন্ডিজের পর দেশের বাইরে একটি প্রতিষ্ঠিত ক্রিকেট শক্তির বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডে সিরিজ জয়ের গৌরবগাথা কৃতিত্বও অর্জিত হবে।

ডাম্বুলার রণগিরি স্টেডিয়ামে ২৫ মার্চ ব্যাটিং, বোলিং-ফিল্ডিং আর ক্যাচিংয়ে সাম্প্রতিক ও নিকট অতীতের মধ্যে সেরা টিম পারফরমেন্স উপহার দিয়ে ৯০ রানে জিতে এখনো তিন ম্যাচ সিরিজে এগিয়ে বাংলাদেশ। একই মাঠে পরের ম্যাচ বৃষ্টিতে ধুয়ে মুছে যাওয়ায় আগামীকালকের খেলাটিই সিরিজ নির্ধারণই ম্যাচে রূপান্তরিত হয়েছে।






মন্তব্য চালু নেই