মেইন ম্যেনু

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের পক্ষে মানববন্ধনে ওরা কারা?

বাগেরহাটে রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের প্রতিবাদে তেল-গ্যাস-খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আহ্বানে যখন রাজধানী ঢাকায় আধাবেলা হরতাল পালিত হচ্ছিল, ঠিক সেই সময়ে রামপালে বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী।

বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে ১২ টা পর্যন্ত মংলা-খুলনা মহাসড়কের বাগেরহাটের রামপালের বাবুর বাড়ি এলাকায় এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

বাগেহরহাট-৩ আসনের সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেকের নেতৃত্বে রামপাল-মংলার প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ এই মানববন্ধনে অংশ নেন।

এসময় মহাসড়কের মংলার গুনাই ব্রিজ থেকে শুরু করে রামপালের ভাগা পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় প্রায় ৬ কিমি এলাকা জুড়ে অবস্থান করা লোকজনের হাতে ‘রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র চাই’, ‘দেশের দক্ষিণাঞ্চলকে পিছিয়ে রেখে বাংলাদেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়’ এবং ‘উন্নয়ন সব জায়গায় সমান হওয়া চাই’ এমন শ্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড, ফেস্টুন ও ব্যানার দেখা যায়।

মানববন্ধন নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ প্রয়োজন। বাংলাদেশ-ভারতের যৌথ উদ্যোগে ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ চলছে। উন্নয়নকে বাধাগ্রস্থ করতে এই তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরোধীতা করা হচ্ছে। সুন্দরবন থেকে ১৪ কিলোমিটার আর গভীর অভয়ারণ্য থেকে ৬৯ কিলোমিটার দূরে নির্মিত হচ্ছে তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র এতে সুন্দরবনের কোনো ক্ষতি হবে না।

তিনি আরো বলেন, এ বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হলে সুন্দরবনের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর বনের উপর নির্ভরশীলতা কমবে। এখানে নতুন শিল্প কল-কারখানা গড়ে উঠবে এবং বেকারদের কর্মসংস্থান হবে। বিদ্যুৎ ও কৃষিতে খরচ কমবে, উৎপাদন বাড়বে।

‘দক্ষিণাঞ্চল উন্নয়ন পরিষদে’র ব্যানারে পালিত এই মানববন্ধন চলাকালে সমাবেশে বক্তব্য রাখে- সাবেক এমপি হাবিবুন্নাহার তালুকদার, মংলা উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, নারী ভাইস চেয়ারম্যান কামরুন নাহার হাই, রামপাল উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ আবু সাইদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম হোসেন, আব্দুর রউফ, ইদ্রিস আলি, শেখ আব্দুস সালাম, দরিয়া তালুকদার, ইস্রাফিল হোসেন ও কামরুজ্জামান জসিম, শেখ মোজাফর হোসেন, সরদার আব্দুল হান্নান ডাবলু, গাজি গিয়াস, নুরুল আমীন, সুলিন কুমার বিশ্বাস, তপন গোলদার প্রমুখ।

মানববন্ধন চলাকালে মহাসড়কে প্রায় ৩ কিমি জুড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়।






মন্তব্য চালু নেই