মেইন ম্যেনু

রাত পোহালেই ‘বড়হাট’ জঙ্গি আস্তানায় অভিযান

মৌলভীবাজারের দুই জঙ্গি আস্তানার মধ্যে সদর উপজেলার নাসিরনগর জঙ্গি আস্তানায় সফলভাবে অপারেশন করেছে সোয়াত টিম। রাত পোহালেই অপর আস্তানা পৌরশহরের বড়হাটে অভিযান চালাবে তারা।

বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় সোয়াতের বিশেষ একটি টিম এলাকাটি পর্যবেক্ষণ শেষে এ তথ্য জানান।

পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম’র (সিটিটিসি) প্রধান মনিরুল ইসলাম জানান, দিনভর বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেও নাসিরপুরে সোয়াত টিম অভিযান সফলভাবে সমাপ্ত করেছে। আলো স্বল্পতার কারণে বড়হাটে রাতে অভিযান চালানো সম্ভব হবে না।

শুক্রবার (৩১ মার্চ) সূর্য উঠার সঙ্গে সঙ্গেই রড়হাটের আস্তানায় অপারেশন হিটব্যাক নামেই অভিযানটি চালাবে সোয়াতসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে এক্ষেত্রে নাসিরপুরের মতো বৈরি আবহাওয়া থাকলে সময় পরিবর্তনও হতে পারে। এছাড়াও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আমরা কাজ করবো।

এদিকে বড়হাটের আস্তানায় অভিযানের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। বড়হাটের আস্তানা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৩০ মার্চ) দুপুর থেকেই জঙ্গি আস্থানা এলাকাটি রেকি করা হয়েছে। সেইভাবেই অপারেশন পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। শহরে প্রবেশ মুখের প্রতিটি রাস্তায় চেকপোষ্ট বসানো হয়েছে। জনসাধারণকে নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং করছে পুলিশ।

মৌলভীবাজারের ওই দুটি জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পেয়ে বুধবার (২৯ মার্চ) ভোর রাতেই অভিযান চালায় পুলিশ। পরে পুলিশের সঙ্গে যোগ দেয় সোয়াত, র‌্যাব, ফায়ার সার্ভিস, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ান, সিটিসিসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এর মধ্যে সদর উপজেলার ১ নং খলিলপুর ইউনিয়নের নাসিরপুরের আস্তানায় গত ২৮ মার্চ বিকেলেই অভিযান চালায় সোয়াত টিম।

আলো স্বল্পতার জন্য ওইদিন আস্তানাটির অভিযান শেষ করতে পারেনি তারা। বুধবার (২৯ মার্চ) বৈরী আবহাওয়ার মধ্যেই ২য় দিনের মতো অভিযান চালিয়ে সফলভাবে আস্তানাটি নিয়ন্ত্রণে নেয় সোয়াত টিম। সোয়াত টিম ওই অভিযানের নাম দেয় আপারেশন হিটব্যাক। অপারেশন চলাকালে ওই আস্তানার জঙ্গিরা বিস্ফোরণ ঘটায়। এতে নারী শিশু সহ ৭/৮ জন জঙ্গি নিহত হয়।

নিহতদের পরিচয় এখনো পাওয়া যায়নি। নিহত জঙ্গিরা নব্য জেএমবির বলেও ধারণা করা হচ্ছে বলে প্রেস বিফ্রিংয়ে জানিয়েছেন মনিরুল ইসলাম।






মন্তব্য চালু নেই