মেইন ম্যেনু

যৌন হেনস্থারোধে বক্সিং শিখছেন ইকুয়েডরের নারীরা

ইকুয়েডরের নারীরা নিজেদের নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং অন্য নারীদের নিরাপত্তা দিতে বক্সিং শিখছেন।

দক্ষিণ আমেরিকার এই দেশটির নারী নিরাপত্তা পরিসংখ্যানকে এক কথায় ‘ভয়াবহ’ বলা যায়। পরিসংখ্যানে দেখা যায়, প্রতি দশজন নারীর মধ্যে ছয়জনই যৌন হেনস্থা এবং লিঙ্গ বৈষম্যের শিকার হয়। এছাড়া প্রতি দশজনে একজন নারী ১৮ বছর বয়সের আগেই যৌন নিপীড়নের শিকার হয়।

১৭ বছর বয়স্ক নাসিংয়ের শিক্ষার্থী হার্টাডো গত বছর নিজের যৌন নিপীড়নের কাহিনী ভয়াবহ কাহিনীর বর্ণনা দেন।

হার্টাডো নিজের বাড়িতে হেঁটে বেড়াচ্ছিলেন এমন সময় কয়েকজন এসে তাকে জোর করে ধর্ষণ করার চেষ্টা করেন। ‘তারা আমাকে শক্ত করে আকড়ে ধরে এবং নিপীড়ন শুরু করে’-বলে জানালেন তিনি।

হার্টাডো আর বলেন, ‘যখন প্রতিরোধ করছিলাম, সেই সময়ে মনে হচ্ছিল আমি মনে হয় পারবো না। কিন্তু আমি দৌড়ে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিলাম’।

হার্টাডো বাড়িতে একাই থাকতেন। তার বাবা চার বছর আগে স্পেনে পাড়ি জমায়। এখন জিমে গিয়ে বক্সিংয়ের শিক্ষা নিচ্ছেন তিনি।

যৌন হেনস্থার শিকার আরেক নারী ২৭ বছরের তানিয়া লারা। তিনি গৃহকর্মীর কাজ করেন। তার সাবেক স্বামী তাকে মারধর করতেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘আগে যখন আমার স্বামী মারতো, তখন আমার মনে হতো যদি আমি তাকে এই অত্যাচার ফিরিয়ে দিতে পারতাম। এখন আমি বক্সিং জানি। প্রয়োজনে এর চেয়েও বেশি আমি তাকে ফিরিয়ে দিতে পারবো।’

ইকুয়েডরের শহরে আলু বিক্রেতা ৩০ বছর বয়স্ক এক নারী মারিয়া ভেজা বলেন, আমি প্রথমবার বক্সিং করি রাস্তায়। এক অপরিচিত ব্যক্তি আমার হাত থেকে মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় এবং দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাকে ইচ্ছামতো ধোলাই করি।

ইকুয়েডরের নারীরা এখন অনেক সচেতন। এদের অনেকে এখন শুধু নিজেরা নয় তাদের কন্যা সন্তানদেরও বক্সিংয়ের শিক্ষা দিচ্ছেন।






মন্তব্য চালু নেই