মেইন ম্যেনু

যে কারনে অলস ব্যাক্তিরাই জীবনে বেশী সফল হয়!

অলস ব্যাক্তিদের নিয়ে গল্প কিংবা চুটকির অভাব নেই। আলসেদের নিয়ে মজা করতে কেউ কার্পণ্য করে না।

বাসায় বউয়ের ঝাড়ি আর অফিসে বসের ঝাড়ি খেতে খেতে নাকি অলসদের জীবন অসহনীয় হয়ে উঠে।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে অলস ব্যাক্তিরাই নাকি জীবনে সফল হন বেশি।!

০১. সৃজনশীল মানুষেরা সাধারণত অলস হন। এই ধরনের মানুষরা কাজ কম করেন। কিন্তু সাধারণত তাদের মাথায় নানা রকম নিত্য নতুন সৃজনশীল ভাবনা খেলা করে।

০২. বেশিরভাগ সময়ই দেখা যায় অলস মানুষরা অনেক বেশি ভাবেন। ফলে তাদের মাথায় নতুন নতুন আইডিয়া, পরিকল্পনা, নতুন প্রজেক্টের প্ল্যান মাথায় ভিড় করে আসে। ফলে অনেক সময়ই তাদের উদ্যোগ নিয়ে নতুন কিছু শুরু করতে দেখা যায়।

০৩. এই ধরনের মানুষরা জানেন কখন তাদের বিশ্রাম নেওয়া উচিত। বহু পরিশ্রমী মানুষই কাজের চাপে সময়মতো বিশ্রামই নিতে পারেননা। কিন্তু যথেষ্ট বিশ্রাম মস্তিষ্ককে কর্মক্ষম রাখতে সাহায্য করে।

০৪. অলস মানুষরা সাধারণত কোনও বিষয় নিয়ে খুব একটা দুশ্চিন্তা করেন না। জীবনের যে কোনও সমস্যাতেই কুল অ্যান্ড রিল্যাক্স থাকেন এই ধরনের মানুষরা। ফলে তারা শান্তভাবে যে কোনও সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

০৫. দেখা গিয়েছে, এই ধরনের মানুষরা নিজেদের ফোকাসে স্থির থাকেন। আসলে অলসরা এতটাই কর্মবিমুখ হন যে তারা অন্যের দিকে নজর দিতে তেমন পছন্দ করেন না। ফলে তারা নিজেদের জীবন এবং লক্ষ্য নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন।

০৬. অলস হলেও এই ধরনের মানুষরাই বেশি বুদ্ধিমান হন। হয়তো অফিসের কোনও কাজ একজন অনেক পরিশ্রম করে সম্পন্ন করছেন, আর তখন অলস মানুষটি বুদ্ধি খাটিয়ে সহজেই কাজটি করে ফেলেন।

০৭. অলস মানুষরা দিনের বেশিরভাগ সময়ই তাদের প্রিয় গ্যাজেট নিয়েই কাটান। ফলে তারা অন্যদের তুলনায় বেশি টেকস্যাভি হন। আর টেকনোলজি ব্যবহার করে অনেক কাজ বাড়িতে বসেই করে ফেলেন।

০৮. সৃজনশীল মানুষেরা সাধারণত অলস হন। এই ধরনের মানুষরা কাজ কম করেন। কিন্তু সাধারণত তাদের মাথায় নানা রকম নিত্য নতুন সৃজনশীল ভাবনা খেলা করে।






মন্তব্য চালু নেই