মেইন ম্যেনু

যশোরের মনিরামপুরে মৌচাকে ঢিল মারায় স্কুল ছাত্রকে শিকলে বেঁধে নির্যাতন

বেনাপোল প্রতিনিধি: মৌচাকে ঢিল মারায় স্কুল থেকে ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র সাব্বিরকে তুলে এনে পায়ে শিঁকল দিয়ে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে স্থানীয় প্রভাবশালী দেলোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ওই ছাত্রকে উদ্ধার করে।

বিষয়টি জানাজানি হবার পর রোববার বিকেলে স্থানীয় সালিশি সভায় দেলোয়ারকে চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আর এ ঘটনাটি ঘটেছে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার খেদাপাড়া ইউনিয়নের খড়িঞ্চী গ্রামে।

দেলোয়ার হোসেনের স্কুল পড়–য়া ছেলে রাসেল জানায়, মৌচাকে ঢিল মারার পর মৌমাছির কামড়ে তাদের ৯ টি কবুতর মারা যায়। এ কারণে তার পিতা ক্ষিপ্ত হয়ে সাব্বিরকে স্কুল থেকে ধরে এনে বেঁধে রাখে।
খড়িঞ্চি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু হুসাইন বলেন, যখন সাব্বিরকে স্কুল থেকে দেলোয়ার ধরে নিয়ে যায় তখন আমরা বাঁধা দিই। কিন্তু তিনি আমাদেরকে উপেক্ষা করে ধরে নিয়ে গিয়ে পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখেন। পরে শিক্ষকরা দেলোয়ারের বাড়িতে গিয়েও তাকে ছাড়িয়ে আনতে ব্যর্থ হন।
এ ব্যাপারে দেলোয়ারের ভাবি আলেয়া বেগম ও ভাইজি পারভিন আক্তার সাব্বিরকে বেঁধে রাখার বিষয়টি সাংবাদিকদের কাছে স্বীকার করেন।

খেদাপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই ইকবাল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে এএসআই জিয়াকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছিলাম। তিনি দেলোয়ারের বাড়ি থেকে ছেলেটিকে উদ্ধার করে তার অভিভাবকদের কাছে রেখে আসেন। এদিকে বিষয়টি নিয়ে গত রোববার বিকেলে খড়িঞ্চী স্কুল মাঠে সালিশি সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে জনপ্রতিনিধি, শিক্ষকসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক আনিসুর রহমান জানান, সাব্বিরকে শিকল দিয়ে বেঁধে মারধরের কথা স্বীকার করে দেলোয়ার সকলের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তবে সালিশি সভায় দেলোয়ারকে চার হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। সাব্বিরের পিতা রিপন হোসেন জানান, গণ্যমান্যদের সিদ্ধাšতনা মেনে কি করার আছে তার।






মন্তব্য চালু নেই