মেইন ম্যেনু

মেধাবী ছাত্রী নাজমা বাঁচতে চায়

নাজমা মেধাবী এক জন ছাত্রী। সে যশোরের শার্শার সরকারি বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ কলেজ‘র চলতি এইচ এস সি পরীার্থী । হাস্বোজ্বল আর সদালাপী নাজমার কাসের শিক ও সহপাঠিদের কাছে তার জুড়ি নেই । পিতা মাতার অভাবী সংসারে তিন ভাই বোনের মধ্যে সে সবার বড়। তার পিতা আব্দুল কাদের পেশায় একজন দিনমজুর আর মাতা হাজেরা বেগম গৃহিনী গ্রাম ডিহি । লেখাপড়ার প্রতি প্রবল ইচ্ছা এবং মেধাবী ছাত্রী হওয়ায় তার পরিবার শত কষ্ঠের মাঝেও তার লেখাপড়া চালিয়ে যাচ্ছিল। নাজমাও মনে মনে স্বপ্নের জাল বুনেছিল ভবিষ্যতে লেখাপড়া শেষ করে মানুষের মত মানুষ হয়ে দরিদ্র পিতা মাতার সংসারে আর্থিক সহযোগিতা করার। কিন্তু বিধিবাম,হঠাৎ করেই তার সেই স্বপ্ন দূস্বপ্নে পরিণত হতে চলেছে। বর্তমানে তার শরীরে জটিল রোগে বাসা বেধেছে। তার শরীরে রক্ত থলিতে রক্ত তৈরী হচ্ছে না,ক্যালসিয়াম শূন্যতা সহ নানা রোগে আক্রান্ত। প্রতিনিয়ত তার শরীরে রক্ত দিতে হচ্ছে । মৃত্যুযন্ত্রনায় সে বিছানায় ছটফট করাসহ অঝরে দুচোখের পানি ফেলছে । আর ভাবছে তার কি হবে? নাজমার মাতা হাজেরা বেগম সাংবাদিকদের জানান, প্রায় দু‘মাস আগে নাজমা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে । পরে যশোর ও খুলনাতে পরীা নিরীা করে জানতে পারেন তার মেয়ের রক্ত থলি ক্যালসিয়াম শূন্যতা সহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত । হঠাৎ তার মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পড়ার মত অবস্থা। এরপর তিনি অভাবের সংসারে সহায় সম্বল যা কিছু ছিল তা বিক্রিসহ ধার দেনা করে দেড় লাধিক টাকা তার চিকিৎসায় ব্যয় করেও সে সুস্থ হয়নি । ঢাকা মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতাল ডাক্তাররা জানিয়েছেন তার মেয়ের রোগ পুরোপুরি ভালো হওয়ার যোগ্য । এজন্য ৩ লাখ টাকা খরচ করতে হবে। কিন্তু তাদের পরিবারের পে এত টাকা জোগাড় করা সম্ভব নয়। এখন প্রায় বিনা চিকিৎসায় সে মৃত্যুপথেরযাত্রী । মা মেয়ে নাজমার করুন মুখের দিকে তাকাতে পারেন না। তাকালেই দুচোখের পানিতে বুক ভিজে যায়। নাজমা শত কষ্ঠের মাঝেও প্রবল ইচ্ছা শক্তি নিয়ে চলতি এইচ এস সি পরীায় অংশ গ্রহন করছে। তিনি মেয়ের ভবিষ্যৎ স্বপ্ন পূরন ও তাকে বাঁচিয়ে তুলতে সমাজের বিত্তবানদের কাছে দুহাত পেতে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন । তার কলেজের অধ্য আবুল হাসান জানান, নাজমা তার প্রতিষ্ঠানের একজন মেধাবী ছাত্রী। সে জটিল রোগে আক্রান্ত । তার চিকিৎসার জন্য কলেজ থেকে কিছু আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়েছে। যা তার রোগ মুক্তির জন্য যতসামান্য। তিনি বিভিন্ন শিা প্রতিষ্ঠানসহ সমাজের বিত্তবানদের কাছে উদাত্ব আহবান জানিয়েছেন তাকে বাঁচিয়ে তুলতে । যেন অকালে একটি মেধাবী মুখ বিনা চিকিৎসায় ঝরে না যায়। তার জন্য আর্থিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে। অন্ততঃ মেধাবী ছাত্রী নাজমার কথা ভেবে মানবিক কারণে ‘‘মানুষ মানুষের জন্য,জীবন জীবনের জন্য’’ এই উপলদ্ধি থেকে আমরা কি সকলে মিলে পারিনা তাকে বাঁচিয়ে তুলতে? তাকে সাহায্য পাঠানো যাবে এই ঠিকানায়ঃ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক , লণপুর শাখা শার্শা, যশোর। ব্যাংক হিসাব নং-৬১৩৩ মোবা-০১৯৬৬-৯৯৮৩০৩।






মন্তব্য চালু নেই