মেইন ম্যেনু

মান্নান-মাহবুবুর-বদির বিরুদ্ধে মামলা

জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মহাজোট সরকারের প্রভাবশালী তিন মন্ত্রী-এমপির বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

তারা হলেন- সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান, সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান ও কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদি।

এরমধ্যে সাবেক গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানের মামলার বাদি হয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন। তার বিরুদ্ধে রমনা মডেল থানায় দায়েরকৃত মামলা নং- ৩৫। সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমানের বিরুদ্ধে করা মামলার বাদি হয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক মো. খায়রুল হুদা। তার মামলা নং- ৩৬। এছাড়া কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার বাদি হয়েছেন দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সোবহান। তার বিরুদ্ধে করা মামলা নং-৩৭।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার দুপুরে দুদকের নিয়মিত বৈঠকে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করার বিষয়টি অনুমোদন দেয়া হয়।

অভিযুক্তদের সম্পদের চিত্র
সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান করতে গিয়ে ১০৭ গুণ সম্পদ বৃদ্ধির তথ্য পেয়েছে দুদক। এছাড়া প্রায় ১০ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধানও পেয়েছে দুদক। দুদক তাকে একবার জিজ্ঞাসাবাদও করেছে।

সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমানের নামে প্রায় ১০ কোটি টাকার সম্পদের খোঁজ পেয়েছে দুদক। মহাজোট সরকারের পাঁচ বছরে তার জমির পরিমাণ বেড়েছে ১৪৩ গুণ। একইভাবে ব্যাংকে টাকা বেড়েছে ৫৮৬ গুণ। আর বার্ষিক আয় বেড়েছে ৭৯ গুণ। তাকেও একবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদিরও ৩৫১ গুণ সম্পদ বেড়েছে এবং নামে-বেনামে তার কোটি কোটি টাকার সম্পদ পাওয়া গেছে। তাকেও একবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

সূত্র জানায়, অভিযুক্তদের হলফনামায় সম্পদের রহস্যজনক বৃদ্ধির কারণ খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধান কর্মকর্তা রেজিস্ট্রার অব জয়েন্ট স্টক কোম্পানি, সংশ্লিষ্ট জেলা রেজিস্ট্রার অফিস, এনবিআর, বিআরটিএ, রাজউক, পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি, রিহ্যাব, ব্যাংক-বীমাসহ অন্যান্য অফিসে অনুসন্ধান করে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করে সম্পদের হিসাব নির্ণয় করেছেন। পাশাপাশি তাদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় সরেজমিন পরিদর্শন করেন অনুসন্ধান কর্মকর্তারা। প্রাথমিক পর্যায়ের অনুসন্ধানেই তাদের নামে-বেনামে বিপুল অবৈধ সম্পদের তথ্য-প্রমাণ মিলেছে।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জমা দেয়া হলফনামার সূত্র ধরে যাদের বিরুদ্ধে দুদক অনুসন্ধান করছে তারা হলেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. আ ফ ম রুহুল হক, সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহবুবুর রহমান, সাবেক গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আবদুল মান্নান খান, এমপি আবদুর রহমান বদি, এমপি এনামুল হক, এমপি আসলামুল হক ও জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি এম এ জব্বার।



(পরের সংবাদ) »



মন্তব্য চালু নেই