মেইন ম্যেনু

মাত্র ২১ দিনে পবিত্র কোরআনে হাফেজ হলেন এই শিশু!

সিলেটের কাজীটুলাস্থ মারকাযু শায়খিল ইসলাম আল-আমিন মাদরাসার ছাত্র মাশহুদ হোসাইন মাদরাসায় ভর্তির ২১ দিনের মধ্যে কোরআন শরিফ ৩০পারা হিফজ করে কোরআনে হাফেজ হলেন।

হাফিজ মাশহুদ হোসাইনের জন্ম ২০০৬ সালের পহেলা মার্চ। সে কানাইঘাট উপজেলার উত্তর লক্ষীপ্রসাদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখা পড়া করে। তার পিতা আব্দুর রহিম ও একজন হাফেজে কোরআন। ২০১৬ইং সালে প্রাইমারী সমাপনী পরীক্ষায় এ গ্রেডে উর্ত্তীন হয় । সেই ফাকে মা-বাবার অনুপ্রেরনায় কানাইঘাট থেকে সিলেট কাজীটুলাস্থ মারকাযু শায়খিল ইসলাম মাদরাসায় গত ১৩ই ডিসেম্বর ২০১৬ইং১২ই রবিউল আউয়াল মঙ্গলবার ভর্তি হয়।

গত ৪ জানুয়ারী বুধবার ৫ রবিউস সানি মোট ২৩দিন এর মধ্যে এর মধ্যে ২দিন সিলেট ইজতেমা থাকায় সে সেখানে অবস্থান করে পুনরায় কোরআন শরীফ হিফজ শুরু করে এবং মহান সৃষ্টি কর্তার অশেষ মেহেরবানীতে ২১ দিনে ৩০ পারা কোরআন শরীফ হিফজ সম্পন্ন করে মাশহুদ কোরআনে হাফিজ হয়।

গত ৬ জানুয়ারী তারই সম্মানে অত্র মাদরাসার মসজিদে এক দোয়ার আয়োজন করা হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন মারকাযু শায়খিল ইসলাম আল-আমিন মাদরাসার মুহতামিম, আল আমিন জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব এবং জামেয়া হোসাইনিয়া ইসলামীয়া ঝেরঝেরি পারা মাদরাসার মুহাদ্দিছ মাও: মুফতি রাশেদ আহমদ।

শিক্ষকদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন হাফিজ আব্দুল কাইয়ুম, মাওলানা শাব্বীর আহমদ, মাও: আনোয়ার হোসেন খানঁ, হাফিজ মাও: সাইফুল আলম, মাও: আমিনুল হক ও কারী আব্দুল হাকিম এবং নয়াসড়ক মাদরাসার শিক্ষক হাফিজ মাওলানা জমির উদ্দিন, এলাকার বিশিষ্ট মুরব্বি আল আমিন জামে মসজিদের মোতাওয়াল্লি ও অত্র মাদরাসার সভাপতি আলহাজ্ব মহসিন আহমদ চৌধুরী উমরাহ হজ্ব পালনে দেশের বাহিরে থাকায় তার ছোট ভাই আলহাজ্ব নাছিম আহমদ চৌধুরী।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব নুরুল আলম চৌধুরী, নুরুল ইসলাম, মোক্তার হোসেন, জাহাঙ্গীর হোসেন, হাফিজ মশহুদ হোসাইনের পিতা আব্দুর রহীম একজন হাফিজ তিনি তার ছেলের জন্য দোয়া চেয়েছেন। এদিকে শনিবার সিলেট আলীয়া মাঠে অনুষ্ঠিত বিশ্বসেরা হাফিজ ক্বারীদের তেলাওয়াত সম্মেলনে কিশোর বালক মাশহুদ পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন।

এসময় হাজার হাজার জনতা তাকে একনজর দেখার জন্য ভিড় জমান। অনেকেই নগদ টাকা পুরস্কার প্রদান করেন। ইমাম সমিতির আহবানে এই কিশোর হাফেজে কোরআনের উচ্চ শিক্ষালাভের জন্য যাবতীয় ব্যায়ভার গ্রহন করেছেন একজন।






মন্তব্য চালু নেই