মেইন ম্যেনু

মহসীন আলীর ঘুম আর ফুরায় না!

আবারো মঞ্চে ঘুমিয়ে পড়লেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলী। একটু ঘুম নয়, পুরো অনুষ্ঠানই ঘুমিয়ে কাটালেন তিনি!
সোমবার বিকেলে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভার মঞ্চে ছিলেন তিনি। ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করে বঙ্গবন্ধু সৈনিক লীগ।
সড়কের দক্ষিণ দিকে খোলা জায়গায় সামিয়ানা টাঙিয়ে বিকেল পৌনে ৪টায় সভা শুরু হয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলী আসেন ৪টা ৫০ মিনিটে। মঞ্চে আসন গ্রহণ করার কিছুক্ষণ পরই তিনি ঘুমিয়ে পড়েন।
প্রায় আধা ঘণ্টা পরে তার ঘুম ভাঙে। জেগেই পানি পান করেন। এরপর আবার ঘুমে অচেতন! মাথা নিচু করে হাত টেবিলের উপর রেখে ঘুমান তিনি। কখনও ডান হাত কপালে দিয়ে ঘুমাতে দেখা গেছে তাকে।
দীর্ঘ ঘুমের মধ্যে বাধ সাধে নেতাদের চিৎকার (উচ্চ স্বরের বক্তব্য)। কখনও কখনও উচ্চস্বরে বক্তব্য শুনে হকচকিয়ে ওঠেন মন্ত্রী। এদিক-ওদিক তাকিয়ে আবার ঘুমিয়ে পড়েন।
উপস্থিত রসিক দর্শক মোবাইল ফোনে এই দৃশ্য ধারণ করেন। আর বেরসিক সাংবাদিকরা ভিডিও ক্যামেরায় ধারণ করেন পরে হিট একটা প্রতিবেদন বানাবেন বলে।
সন্ধ্যা ৬টা ২১ মিনিটের সময় বক্তব্য দেয়ার জন্য যখন সৈয়দ মহসিন আলীর নাম ঘোষণা করা হয় তখনও তিনি ঘুমে বিভোর। এসময় ব্যক্তিগত সহকারী ছুটে গিয়ে তাকে ডেকে তোলেন। ঘুম থেকে জেগে বক্তব্য দেন সৈয়দ মহসীন আলী। সেই ঘুম জড়ানো কণ্ঠের বক্তব্য শুনার মতো ধৈর্য অবশ্য ততক্ষণে আর কারো অবশিষ্ট ছিল না।
সৈনিক লীগের সভাপতি বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন- যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল, সৈনিক লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহ আকরাম প্রমুখ।
এর আগে গত ২৪ জুলাই রাজধানীর সমাজসেবা অধিদপ্তরের মিলনায়তনে প্রতিবন্ধী সুরক্ষা ট্রাস্টি বোর্ডের সভায় প্রধানমন্ত্রীর মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলকে পাশে রেখেই মঞ্চে ঘুমান মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলী। এ নিয়ে গণমাধ্যমে হাস্যরস, ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। পরে সিলেটের এক অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলেন, ‘মঞ্চে বসে ঘুমাই না, চোখ বন্ধ করে জনগণের কথা ভাবি।’






মন্তব্য চালু নেই