মেইন ম্যেনু

ব্যাট হাতে ২ রানের পর এবার বোলিংয়ে ২ উইকেট পেলেন রাব্বি

৬৩ বলে ২ রান নিয়ে সবার কটাক্ষের শিকার হয়েছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের পেসার অলরাউন্ডার কামরুল হাসান রাব্বি। কিন্তু তার পরের দিনই বল হাতে ২ উইকেট তুলে সেই অপবাদ গোছালেন।

এদিন ১৩ ওভার বোলিং করে ৪৮ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন সাব্বির। যার মধ্যে ৩টি মেডেন ওভারও ছিল।

প্রসঙ্গত, টেস্টে ৬০ কিংবা এর বেশি বল খেলে এর চেয়ে কম রান করেছেন মাত্র দুজন। ১৯৯৯ সালে অকল্যান্ড টেস্টে জিওফ অ্যালট ৭৭ বল খেলে ০ রানে আউট হয়েছিলেন। অ্যালট হয়তো রান করেননি, কিন্তু ফলোঅনের শঙ্কায় পড়া ​নিউজিল্যান্ডকে শেষ জুটিতে ৩২ রান এনে দিয়ে​ছিল তাঁর এই দৃঢ়তা। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে নেমেও ১০১ মিনিট পার করে দিয়েছিলেন—এও কি কম কৃতিত্বের! নিউজিল্যান্ড সেবার ফলোঅনে পড়েও ম্যাচটা ড্র করতে পেরেছিল।

১৯৬৮ সালে গায়ানা টেস্টে ইংল্যান্ডের জন স্নোকেও নিতে হয়েছিল একই ভূমিকা। তাঁর দ্বিতীয় ইনিংসে ৬০ বলে খেলা ১ রানের ইনিংসটা বড় ভূমিকা রেখেছিল নাটকীয় ড্র হওয়া টেস্টটায়। জয়ের জন্য মাত্র একটা উইকেটই দরকার ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজের।
এই দুজনের পরেই চলে গেলেন কামরুল, যদিও তাঁর এই ইনিংসের অবদান ম্যাচে কী ফল রাখছে, সেটা বলার উপায় নেই এখনই। অ্যালট, স্নো, কামরুল তিনজনই আউট হয়েছেন। তবে কলিন ক্রফট ৭৩ বল খেলে একবার ২ রানে অপরাজিত ছিলেন। ১৯৭৯ সালের ব্রিজবেন টেস্টে। মাত্র ২ রান করলেও সেবার শেষ উইকেটে জোয়েল গার্নারের সঙ্গে ৫৬ রানের জুটি গড়েছিলেন। রান না করলেও বল পার করে দেওয়ার এই তো মাহাত্ম্য।

টেস্টে সবচেয়ে বেশি বল খেলে সবচেয়ে কম রান করার ‘কৃতিত্ব’ কার? এমন তো রেকর্ড রাখা হয় না। তবে টেস্টের কোনো ইনিংসে কমপক্ষে ১০০ বল খেলেও এক অঙ্কে রান করেছেন মাত্র তিনজন। এঁদের মধ্যে জন মারে সর্বাগ্রে। ১৯৬২-৬৩-র অ্যাশেজে সিডনিতে ইংলিশ উইকেটকিপার ১০০ বল খেলে করেছিলেন ৩ রান।
এক সময় কিপারদের যে শুধু উইকেটকিপিংটা ভালোমতো জানলেই হতো, এই পরিসংখ্যান তারও সাক্ষী।



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই