মেইন ম্যেনু

‘বোমাটি শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা কর্মচারীদের কেউ রেখেছেন’

সিলেট শহরতলীর পূর্ব শাহী ইদগাহ এলাকায় অবস্থিত স্কলার্সহোম ক্যাম্পাসের ভেতরে রাখা বোমাটি শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা কর্মচারীদের কেউ রেখেছে বলে মন্তব্য করেছেন স্কলার্স হোমের প্রিন্সিপাল অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জুবায়ের সিদ্দীকি। মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ মন্তব্য করেন।

প্রিন্সিপাল বলেন, ‘ক্যাম্পাস জুড়ে সবসময় নিরাপত্তা জোরদার থাকে। এমনকি মূল ভবনের ভেতরে অভিভাবকসহ কাউকেই প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। ক্লাসে কোনও শিক্ষার্থী প্রবেশ করার সময় তাদেরকে চেকিং (পরীক্ষা) করে প্রবেশ করানো হয়। তাই এ ঘটনা বাইরের কারও ঘটনোর সুযোগ নেই।’

প্রিন্সিপাল আরও বলেন, র‌্যাব সদস্যরা মেটাল ডিরেক্টর দিয়ে পরীক্ষা করে দেখেছেন এটা একটি শক্তিশালী বোমা। এর ভেতরে সার্কিট রয়েছে। এটা যদি বিস্ফোরণ হয় তাহলে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে সেই আশঙ্কায় অভিভাবকদের পরামর্শ নিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করা হয়েছে।’ এ ক্যাম্পাসে স্কুল ও কলেজ পর্যায়ের ১৫শত শিক্ষার্থী রয়েছেন বলে জানান তিনি।

প্রিন্সিপাল জুবায়ের সিদ্দিক বলেন, ‘সিসিটিভির ফুটেজ র‌্যাবের সদস্যরা সংগ্রহ করেছেন। ক্যাম্পাসের মূল ভবনের সিঁড়ির পাশে কে বা কারা বোমাটি রেখে গেছে তা ক্যামেরায় ধরা পড়েনি। পরিচ্ছন্নকর্মীরা পরিষ্কার করার সময় এটি দেখতে পান। এটা কালো পলিথিন দিয়ে প্যাকেট করা ও লাল টেপ দিয়ে মোড়ানো।’

স্কলার্সহোম বন্ধ ঘোষণা করা হবে কিনা এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে কথা বলে পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

সিলেট মহানগর পুলিশের বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশারফ হোসেন জানান, ঘটনাস্থলে পুলিশসহ র‌্যাবের সদস্যরা রয়েছে। কে বা কারা এই বোমাটি রেখে গেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এমনকি ক্যামেরায়ও ধরা পড়েনি। বিষয়টি সন্দেহজনক।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকালে সিলেট নগরীর শাহী ইদগাহ এলাকায় স্কলার্সহোম স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনের সিঁড়ির বাম পাশে বোমা সদৃশ একটি বস্তু দেখে র‌্যাবকে খবর দেয় শিক্ষকরা। পরে বেলা ১১টার দিকে র‌্যাব-৯ এর সদস্যরা ঘটনাস্থলে আসেন। এটি একটি শক্তিশালী বোম। এর মধ্যে সার্কিট পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে র‌্যাবের কর্মকর্তারা।






মন্তব্য চালু নেই