মেইন ম্যেনু

বিয়ের পরে মিঠুন-এলিজাবেথ

ফেসবু‌কে প‌রিচয়, অতঃপর প্রেম, ভালবাসা, মন দেয়া নেয়া। কথায় বলে ভালোবাসা কোনো জাত-পাত, দেশ-বিদেশ, ভাষার ব্যবধান মানে না। ঠিক তেমনি ভালোবাসার টানে ধর্মের বাধা ভুলে নতুন সংস্কৃতিকে আপন করে নিতেও কোনো কষ্ট হয় না। যেমন কষ্ট হয়নি মার্কিন তরুণী এলিজাবেথের। প্রেমের টানে সুদূর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাবা-মা আত্মীয়দের ছেড়ে ঝিনাইদহের প্রেমিক মিঠুনের কাছে চলে এসেছেন। বিয়েও করেছেন তারা।

নতুন দেশে এসে, নতুন জীবনে এলিজাবেথ কেমন আছেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে এলিজাবেথ জানান- তার ভালোবাসার মানুষকে পেয়ে তিনি খুব খুশি। এখন তারা সংসার করছেন। সুখেই কাটছে তাদের বিয়ের পরের সময়।

স্থানীয়রা জানান, প্রথমদিকে এলিজাবেথ শাড়ি পরতো। কিন্তু তার শাড়ি পরার অভ্যাস না থাকায় সমস্যা হচ্ছে। তাই এখন জিন্স প্যান্ট ও গেঞ্জি পরেন। এতেই তার স্বস্তি লাগছে। তবে প্রতিবেশী আর আত্মীয়রা মজাই পাচ্ছেন বাড়ির বউয়ের এমন পোশাকে দেখে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার রাখালগাছি গ্রামের পঞ্চানন্দ বিশ্বাসের ছেলে মিঠুন বিশ্বাসের প্রেমে পড়েন মার্কিন তরুণী এলিজাবেথ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের মাধ্যমে তাদের প্রথমে পরিচয়। ধীরে ধীরে এই পরিচয় প্রেমে রূপ নেয়। গত ২ জানুয়ারি এলিজাবেথ তার ভালোবাসাকে বাস্তবে পাওয়ার জন্যে বাংলাদেশে পাড়ি দেন। পরে খ্রিস্টান ধর্ম মতে তাদের বিয়ে হয়।

মিঠুন বিশ্বাস জানান, মার্কিন নাগরিক এলিজাবেথ আমার ভালোবাসার দাম দিয়ে বাংলাদেশের মত একটি অনুন্নত দেশে এসেছে সে জন্য আমি গর্বিত। তা ছাড়া সে আমার সাথে মাঝে মাঝে যোগাযোগ করতে না পারলে হতাশ হয়ে পড়তো। এলিজাবেথ পরিবারের লোকজনের অমতে চাকরি করে টাকা রোজগার করে বাংলাদেশে এসেছে।






মন্তব্য চালু নেই