মেইন ম্যেনু

বিয়েতে আপত্তি, অবশেষে নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ছাত্রীর আত্মহত্যা

বেশ কিছুদিন ধরেই কলকাতার এক নামী কলেজের তৃতীয় বর্ষের ওই ছাত্রীর বিয়ের তোড়জোড় করছিলেন পরিবারের সদস্যেরা। সম্প্রতি এক ইঞ্জিনিয়ার পাত্রের সন্ধান পান তাঁরা। কিন্তু বিয়ের কথা জানতে পেরেই ওই ছাত্রী বেঁকে বসেন। আপত্তির কথা জানান পরিবারকে। বালি ব্রিজ থেকে গঙ্গায় ঝাঁপ দিলেন তৃতীয় বর্ষের এক ছাত্রী। শুক্রবার রাত পর্যন্ত তল্লাশি চালিয়েও তাঁর খোঁজ পায়নি পুলিশ। নিখোঁজ ওই ছাত্রীর বাড়ি হাওড়ার লিলুয়ায়।

পুলিশ সূত্রের খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই কলকাতার এক নামী কলেজের তৃতীয় বর্ষের ওই ছাত্রীর বিয়ের তোড়জোড় করছিলেন পরিবারের সদস্যেরা। সম্প্রতি এক ইঞ্জিনিয়ার পাত্রের সন্ধান পান তাঁরা। কিন্তু বিয়ের কথা জানতে পেরেই ওই ছাত্রী বেঁকে বসেন। আপত্তির কথা জানান পরিবারকে। কিন্তু পরিবারের সদস্যেরা তাঁর কথায় কান দেননি বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান। যদিও ছাত্রীর পরিবারের তরফে বিয়েতে চাপ দেওয়ার কথা অস্বীকার করা হয়েছে।

এদিন বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ বালি ব্রিজ থেকে ঝাঁপ দেন ওই ছাত্রী। তাঁকে আটকানোর জন্য কয়েকজন ছুটে গেলেও শেষরক্ষা হয়নি। বালি থানায় খবর গেলে হাওড়া সিটি পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। গঙ্গায় চক্কর কাটতে থাকে রিভার ট্র্যাফিক পুলিশের লঞ্চ। রাতের দিকে আলোর অভাবে তল্লাশি বন্ধ রাখে পুলিশ। সূত্রের খবর, রাতের মধ্যেই কলকাতা পুলিশ-সহ হাওড়া সিটি পুলিশের একাধিক থানাকে বিষয়টি জানিয়ে নজর রাখতে বলা হয়েছে।

ব্রিজের উপর ফেলে যাওয়া ব্যাগ তল্লাশি করে ছাত্রীর কলেজের সচিত্র পরিচয়পত্র, ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ড পায় পুলিশ। জানা যায় লিলুয়ার বাসিন্দা ওই ছাত্রী বাণিজ্য বিভাগের তৃতীয় বর্ষের পড়ুয়া। সূত্রের খবর, মায়ের উদ্দেশে বাড়িতে একটি চিঠি লিখে রেখে বেরিয়েছিলেন তিনি। বিয়ে হলে কি পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছিলেন ওই ছাত্রী? কোনও সম্ভাবনাই উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা।-এবেলা






মন্তব্য চালু নেই