মেইন ম্যেনু

বিচার বিভাগে দলীয় ক্যাডার দিয়েও আস্থা নেই সরকারের : রফিকুল

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, ‘বিচার বিভাগে দলীয় ক্যাডারদের নিয়োগ দিয়েও আস্থা পাচ্ছে না এ সরকার। তাই জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া গঠিত অবৈধ সংসদের হাতে বিচারপতি অপসারণের দায়িত্ব দিতে যাচ্ছে।’

রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেঞ্জ লাউঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার পরিষদ আয়োজিত ‘তথাকথিত সম্প্রচার নীতিমালা ও বিচারপতি অপসারণে নতুন আইন প্রণয়ণের মাধ্যমে মৌলিক অধিকার হরণের প্রতিবাদে’ আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বিগত সরকার পরিচালনার সময় আওয়ামী লীগ বিচার বিভাগে দলীয় ক্যাডার নিয়োগ দিয়ে বিচার বিভাগকে দলীয়করণ করেছে। কিন্তু তাতেও তারা
আস্থা পাচ্ছে না। তাই বিচারপতি অপসারণের দায়িত্ব দিতে যাচ্ছে অনির্বাচিত সাংসদদের দ্বারা গঠিত সংসদের হাতে।’

আ.লীগ মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী দল মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘তারা গণতন্ত্র ধ্বংস করতে জনগণের ম্যান্ডেট ছাড়া ক্ষমতায় এসেছে। আর সেই ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী করতেই সম্প্রচার নীতিমালা করছে। একই সঙ্গে তারা বিচার বিভাগ নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘রাজপথের বিরোধী দলকে ধ্বংস করার যে পরিকল্পনা এ সরকার নিয়েছে তা কার্যকর করতেই গণমাধ্যম ও বিচার বিভাগকে নিয়ন্ত্রণে নিচ্ছে তারা। তাদের এ নিয়ন্ত্রণ দেশে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে।’

সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সম্প্রচার নীতিমালা সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। সংবিধান আপনাদের যে মত প্রকাশের অধিকার দিয়েছে নিজেদের স্বার্থে তা বাস্তবায়নের জন্য মতভেদ ভুলে আন্দোলনে নামুন।’

দলীয় নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপির এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘আ.লীগ একনায়কতন্ত্র ও স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য বিভিন্ন নীতিমালার নামে ষড়ষন্ত্র করছে। তাদের এসব ষড়ষন্ত্র বন্ধে এখনই গণআন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’

বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার পরিষদের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- মহাসচিব অধ্যাপক আসম মোস্তফা কামাল, বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক ও নরসিংদী বিএনপির সভাপতি খায়রুল কবীর খোকন, স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ।






মন্তব্য চালু নেই