মেইন ম্যেনু

বিচারাধীন বিষয়ে কথা নয়: আশরাফ

নারায়ণগঞ্জের ঘটনাক্রম নিয়ে সরকারের দু’একজন মন্ত্রী নানা বক্তব্য দিলেও বিষয়টিকে বিচারাধীন মন্তব্য করে তা নিয়ে কথা বাড়াতে চান না সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মুখপাত্র সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ক্ষমতাসীন দলের পার্লামেন্টারি বোর্ডের এক সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, “এ বিষয়টি বিচারাধীন, আমি একদিকে সরকারের মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, আমি কোনো তথ্য ছাড়া কথা বলতে পারি না। আমি সাধারণ নাগরিক হলে টক শোতে বসে অনেক কথা বলতে পারতাম। কিন্তু আমাদের অনেক দায়িত্ব নিতে হয়।”
সাত খুনের ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে আশরাফ বলেন, “নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত করছে। যারা দায়ী তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। উপযুক্ত শাস্তি বিচারের মাধ্যমে নিশ্চিত করবো। সভ্য দেশে এটাই হয়।”
ঘটনার সঙ্গে এলিট বাহিনী বলে পরিচিত র‌্যাব সদস্যদের সন্দেহভাজন সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে প্রশ্ন করলে প্রভাবশালী এই মন্ত্রী বলেন, “চার্জশিট যখন দেবে তখন জানবো কাকে কাকে আসামি করা হয়েছে। বিচারিক আদালতেই কে দোষী, কে নির্দোষ প্রমাণ হবে। ততক্ষণ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
“পত্রপত্রিকার খবর দেখে কে কার ভাতিজা, কে কার ছেলে, কে কার খালা তা বলা যায় না। আমাদের পক্ষে স্পেকুলেশন সম্ভব না।”
সমালোচনার প্রেক্ষাপটে ঘটনা পরবর্তী সরকারের তৎপরতার পক্ষে বক্তব্য রেখে সৈয়দ আশরাফ বলেন, “শেখ হাসিনার সরকার প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করছে, মামলা দায়ের করছে এবং আদালতের রায় বাস্তবায়ন করছে।
“এ সরকার প্রতিটি ঘটনাকে আইনের দৃষ্টিভঙ্গিতে যে ভূমিকা রাখা দরকার তা সব সময় গ্রহণ করছে। আইনের শাসন মানে অপরাধী চিহ্নিত করে অভিযোগ দায়ের করা এবং আদালত যে শাস্তি দেবে তা বাস্তবায়ন করা।”
গুম-খুনের ঘটনায় সরকারের ভাবমূর্তির সংকট হচ্ছে কি না এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, “গুম বলে কোন শব্দ নেই, শব্দটি হবে নিখোঁজ। বাংলাদেশে প্রতিদিনই মানুষ নিখোঁজ হচ্ছে। আগে গুম শব্দটা ছিল না।”
মুচকি হেসে তিনি বলেন, “গুম সারা পৃথিবীতেই হয়। মানুষ নিখোঁজ হয় সারা পৃথিবীতে। এতো বড় প্লেন আড়াইশ যাত্রী নিয়ে এতদিন ধরে নিখোঁজ।
“এদেশে মানুষ নিখোঁজ হয় তাদের সন্ধানও পাওয়া যায়। বাংলাদেশ ইজ নট অ্যান এক্সেপশনাল দেশ, এখানেও অপরাধ ঘটে। অপরাধের তদন্ত করা হয়, আসামিদের সনাক্ত করা হয়। এবং আদালতের রায় বাস্তবায়ন করা হয়।”



« (পূর্বের সংবাদ)



মন্তব্য চালু নেই