মেইন ম্যেনু

বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচে শাসরুদ্ধকর টাই

বাংলাদেশ দল ইমার্জিং কাপের সেমিফাইনালের খেলা নিশ্চিত করেছে আগেই। গ্রুপপর্বের প্রথম দুই ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে সেই নিশ্চয়তা পেয়ে যায় মুমিনুল হকের দল। পাকিস্তানের বিপক্ষে আজকের ম্যাচটি তাই স্বাগতিকদের জন্য আনুষ্ঠানিকতা! তবে এই ম্যাচটি মুমিনুলদের জন্য ছিল গুরুত্বপূর্ণও। কারণ গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে পাকিস্তানকে হারাতে পারলে ‘বি’ গ্রুপে চ্যাম্পিয়ন হয়েই শেষ চারের লড়াইয়ে নামার সুযোগ ছিল বাংলাদেশের।

কিন্তু সেটা পারেনি মুমিনুলের দল। কক্সবাজারের শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ (বৃহস্পতিবার) পাকিস্তানের সঙ্গে শ্বাসরুদ্ধকর টাই করেছে বাংলাদেশ। তাই রান রেটে এগিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ চারে উঠল পাকিস্তান। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৮ উইকেটে ২৩৩ রান তোলে পাকিস্তান। জবাবে ৮ উইকেটে বাংলাদেশও তুলেছে ২৩৩ রান।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন মুমিনুল হক। হুসাইন তালাতের শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরার আগে ৯১ বল খেলে ৮টি চার ও একটি ছক্কায় ইনিংসটি সাজান বাংলাদেশ অধিনায়ক।

বাংলাদেশের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৫৩ রানের ইনিংসটি মোহাম্মদ মিঠুনের। নাজমুল হাসান শান্তর ব্যাট থেকে এসেছে ৩০ রান। ১৮ রানে অপরাজিত ছিলেন সাইফউদ্দিন। তবে বাংলাদেশকে কাঙ্ক্ষিত জয় এনে দিতে পারেননি এই অলরাউন্ডার।

পাকিস্তানের পক্ষে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন ওসামা মীর, জাফর ও হুসাইন তালাত। একটি করে উইকেট নিয়েছেন আসিফ ও মুদাসসার।

এর আগে ব্যাটিংয়ে নেমে বিপর্যয়ে পড়ে পাকিস্তান দল। দলীয় ৪৫ রানেই হারিয়ে ফেলে প্রথম ৪ উইকেট। আগের দুই ম্যাচে সেঞ্চুরির দেখা পাওয়া ইমাম-উল-হক (১৩) ও ইমরান বাটকে (১) ফিরিয়ে জোড়া আঘাত হানেন সাইফ।

এরপর মোহাম্মদ রিজওয়ান (১২) ও জাহিদ আলিকে (০) সাজঘরে ফেরান নাইম হাসান। তবে পঞ্চম উইকেটে হাম্মাদ আজমকে নিয়ে দলের হাল ধরেন হারিস সোহেল। দুইজনে মিলে গড়েন ৮৬ রানের জুটি। আউট হওয়ার আগে হারিস সোহেলের ব্যাট থেকে আসে ৬৩ রান। আর শেষ দিকে হুসাইন তালাত ৫৭ রান করলে ২৩৩ রানের সংগ্রহ পায় পাকিস্তান।

বাংলাদেশের পক্ষে সাইফউদ্দিন নেন ৩ উইকেট। এছাড়া নাইম হাসান ও নাসুম আহমেদ নেন ২ টি করে উইকেট।






মন্তব্য চালু নেই