মেইন ম্যেনু

বন্ধুসহ ধর্ষণ করলো প্রেমিকা ও তার বোনকে

নাটোর’র বাগাতিপাড়ায় প্রেমিক ও তার বন্ধুরা মিলে ধর্ষণ করেছে কলেজ পড়ুয়া এক ছাত্রী ও তার বোনকে।

এ ঘটনায় কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীর প্রেমিক কাওসারসহ ৭ জনকে অভিযুক্ত করে বাগাতিপাড়া থানায় মামলা করেছেন নির্যাতিতার পরিবার। নিযাতিতা দুই জন কালিকাপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণীর এবং অপরজন জামনগর ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী।

অপরদিকে, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে তাদের স্কুল এবং কলেজে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছে শিক্ষার্থীরা।

পুলিশ জানায়, বাগাতিপাড় উপজেলার জামনগর শাহপাড়া গ্রামের জামনগর ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রী গত বৃহস্পতিবার একই উপজেলার কৈচরপাড়া তার খালাতো বোনের বাড়িতে বেড়াতে যায়। এ সময় কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীর প্রেমিক কাওসার মোবাইল ফোনে তাকে রহিমানপুর বাজারের পাশে একটি আম বাগানে দেখা করতে বলে। প্রেমিকের ডাকে সাড়া দিয়ে কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী এবং তার খালাতো বোন সেখানে আসলে পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কাওসার এবং তার সহযোগীরা ওই দুই জনকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এ সময় ধর্ষণের ভিডিওচিত্র মোবাইল ফোনে ধারণ করে ধর্ষকরা।

এ ঘটনায় মুখ খুললে ধর্ষণের ভিডিও ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়া হয়। পরে নির্যাতিতরা বিষয়টি তাদের অভিভাবকদের জানালে শুক্রবার সন্ধ্যায় কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী বাদী হয়ে প্রেমিক কাওসারসহ নামউল্লেখ পূর্বক ৫ জন এবং অজ্ঞাত আরো দুইজনসহ ৭ জনের নামে একটি মামলা দায়ের করে।

শনিবার সকালে ধর্ষিত দুই ছাত্রীকে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালে ওই দুই মেয়ে জানান, প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাদের সর্বনাশ করা হয়েছে। মোবাইলে ধর্ষণের ভিডিও এলাকায় ছড়িয়ে দেয়া হলে তাদের আত্মহত্যা করা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।’

এ সময় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন ধর্ষিতরা।

বাগাতিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ডিএনএ টেস্টের জন্য শনিবার সকালে নির্যাতিতদের নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যেহেতেু থানায় মামলা হয়েছে সেকারণে অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে। পাশাপাশি ধর্ষণের ভিডিওটি উদ্ধারে কাজ করছে পুলিশ।






মন্তব্য চালু নেই