মেইন ম্যেনু

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে যমুনার পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রভাবিত

বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে গত ৩দিনে যমুনা নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে উপজেলার ৭টি ইউনিয়নে কমপক্ষে ২০ হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছে। সে সাথে যমুনা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে ধলীরকান্দি থেকে রৌহদহ পর্যন্ত বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হুমকীর মুখে পড়েছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের পানিতে যমুনার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপদ সীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। পানি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেতে থাকায় সোমবার বিপদ সীমার ৩৯সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। এখনও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত আছে। আগামীতে পানি আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। এদিকে পানি বৃদ্ধির কারণে যমুনা নদী বেষ্টিত চরাঞ্চলের চালুয়াবাড়ী, কাজলা, হাটশেরপুর, সারিয়াকান্দি সদর, কর্ণিবাড়ী, বোহাইল ও চন্দনবাইশা ইউনিয়নের কাকালিহাতা, শিমুলতাইড়, বেড়াপাচবাড়িয়া, ধারাবরিষা, নয়াপাড়া, বেনিপুর, হাটবাড়ী, শোনপচা, ডাকাতমারা, ইন্দুরমারা, টেংরাকুড়া, চর ঘাগুয়া, টাকামাগুরা, শংকরপুর, মাঝিরা, চরবাটি, দারুনা সহ ৩৫টি গ্রামের প্রায় ২০হাজার মানুষ পানি বন্দী হয়ে পড়েছেন। ফলে তাদের দূর্ভোগ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিসার সোহেল মোহাম্মদ শামচুউদ্দিন ফিরোজ গতকাল সাংবাদিকদের জানান, সোমবার পর্যন্ত ১২৩০ হেক্টর সদ্য রোপনকৃত আমন ধান, ৫৩০ হেক্টর আউশ, ও ৪০ হেক্টর জমির গাইঞ্জা ধানের বীজতলা বন্যার পানিতে আক্রান্ত হয়েছে। অপর দিকে যমুনা নদী রুদ্ররূপ ধারন করেছে। দফায় দফায় বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধে ভাঙ্গনে ৪কি.মি বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। গত রাত ২টায় চন্দনবাইশা শেখপাড়ার সামনে হঠাৎ ২৫ মিটার নদীতে বিলীন হয়েছে। সেখানে বাঁধ ভেঙ্গে লোকালয় বন্যার পানির প্রবেশের আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ঠিকাদারের মাধ্যমে জিও ব্যাগ, বালু ভর্তি বস্তা ফেলে ভাঙ্গন ঠেকানোর চেষ্টা করছেন। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আব্দুল মুত্তালেব জানান, বাঁধের অবস্থা ভাল নয়, তবে পানি যদি আরও বৃদ্ধি না পায় তবে বাঁধ রক্ষা পাওয়ার সম্ভবনা আছে।






মন্তব্য চালু নেই